অথবা, সারণির বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
অথবা, একটি আদর্শ সারণির কী কী বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক আলোচনা কর।
অথবা, একটি উত্তম সারণির বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ কর।
উত্তর৷ ভূমিকা :
পরিসংখ্যানে তথ্য সংগ্রহ করা হয় গবেষণার জন্য । এজন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। সারণিবদ্ধকরণ প্রক্রিয়ায় তথ্যের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যানুযায়ী সারণিবদ্ধকরণ করা হয়।
আদর্শ সারণির বৈশিষ্ট্য : আদর্শ সারণির বৈশিষ্ট্যসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হলো :
১. একাধিক সারণি ব্যবহৃত হলে প্রত্যেকটিতে ক্রমানুযায়ী সংখ্যাত্মক মান দিতে হবে।
২. শিরোনাম হলো সারণির প্রতিনিধিস্বরূপ। সারণির বিষয়বস্তু সুস্পষ্টভাবে শিরোনামে ফুটিয়ে তুলতে হবে।
৩. উপশিরোনাম ব্যবহার করলে সেটি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। ব্যাখ্যাকারী টীকায় যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে হবে।
৪. উপাত্তের উৎস উল্লেখ করতে হবে।
৫. প্রয়োজনে সারণিতে প্রতীক ও সংকেতের ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এগুলোর ব্যাখ্যা সঠিকভাবে দিতে হবে।
৬. প্রতি কলাম ও সারির মানগুলো যোগ করে দেখানোর প্রায়োজন হলে যোগ করে দেখাতে হবে।
৭. ব্যবহৃত সংখ্যা যেন সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয় সেদিকে লক্ষ করতে হবে।
৮. শতকরা ও গড়ের হার প্রয়োজন হলে উল্লেখ করতে হবে।
৯. সারণি যেন সুন্দর হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
১০. শ্রেণিকে সংখ্যায়িত করতে হবে।
উপসংহার : উপর্যুক্ত৷ বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বলা যায় যে, একটা আদর্শ সারণির মাধ্যমে খুব সহজেই তথ্যের অন্তর্নিহিত দিকগুলো ফুটে উঠে। একটা আদর্শ সারণিবদ্ধকরণের মাধ্যমে শ্রেণিবদ্ধকৃত তথ্যের সুসংহত ও সুপরিকল্পিত বিন্যাস সম্ভব।

admin

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!