ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

উইমেন্স স্টাডিজের গুরুত্ব সংক্ষেপে আলোচনা কর।

অথবা, উইমেন্স স্টাডিজের প্রয়োজনীয়তা সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
অথবা, উইমেন্স স্টাডিজের বা নারী শিক্ষার গুরুত্ব সংক্ষেপে তুলে ধর।
অথবা, উইমেন্স স্টাডিজের গুরুত্ব সম্পর্কে তুমি যা জান লিখ।
অথবা, নারী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা সংক্ষেপে লিখ।
অথবা, নারী শিক্ষার প্রয়োজন কিরূপ? সংক্ষেপে উত্তর দাও।
উত্তরায় ভূমিকা :
উইমেন্স স্টাডিজের গুরুত্ব বর্তমান বিশ্বে অনস্বীকার্য। অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, ইতিহাস এককথায় জ্ঞানের সকল শাখার সাথে উইমেন্স স্টাডিজের গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। জ্ঞানের সকল শাখায় নারীর অনুপস্থিতি দূর করে নারী ও পুরুষের যথার্থ মূল্যায়নের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গতা বিধান করেছে।
উইমেন্স স্টাডিজের গুরুত্ব : নিম্নে উইমেন্স স্টাডিজের গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হলো :
১. জ্ঞানের পৃথক শাখা : জ্ঞানের পৃথক শাখা হিসেবে উইমেন্স স্টাডিজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। নারী ও পুরুষ নিয়ে মানবজাতির সৃষ্টি। কাজেই নারী ও পুরুষ জ্ঞানের সকল শাখার সাথে জড়িত। উইমেন্স স্টাডিজের নামে জ্ঞানের পৃথক শাখা খোলা হলে মানবজাতির দুই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হবে। উইমেন্স স্টাডিজ নারী নিয়ে পৃথকভাবে গবেষণার সংকীর্ণতা দূর করে।
২. সামাজিক স্বীকৃতি : মানবজাতির অর্ধাংশ নারীকে অদৃশ্য থেকে দৃশ্যমানে টেনে তুলতে, তাকে যবনিকার অন্তরাল থেকে বাইরে এনে সামাজিক স্বীকৃতি প্রদান করতে উইমেন্স স্টাডিজের গুরুত্ব অপরিসীম।
৩. নারীর পূর্ণতাদানে : জ্ঞানের অন্যান্য শাখায় নারীর অনুপস্থিতি ও নারীর প্রতি অবজ্ঞা অপনোদন করে উইমেন্স স্টাডিজ জ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অপূর্ণতা দূর করে নারী ও পুরুষের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গতা বিধান করেছে। এ অবস্থা অন্য কোনো বিষয় দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
৪. সুষম সমাজ প্রতিষ্ঠায় : নারী পুরুষের সম্পর্ক কিভাবে সুষম সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারে উইমেন্স স্টাডিজ তা নিয়ে আলোচনা করে। এ প্রসঙ্গে Barbura তাঁর Women and Politics Worldwide গ্রন্থে বলেন “The concrete, practical, everyday problems of living, working and living as equal person.” te sac
উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, নারী ও পুরুষের সামাজিক সম্পর্ক বুঝানোর এত কাল কোনো পরিভাষা ছিল না। ইদানিং কালে নারী-পুরুষ সামাজিক সম্পর্ক বুঝাতে জেন্ডার শব্দটি ব্যবহৃত হয়। কাজেই নারী শিক্ষা শুধু নারী নিয়ে আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয় বরং নারী পুরুষ বৈষম্য দূরীকরণ নিয়ে আলোচনা করে।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!