ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

✍️বাংলাদেশের কৃষিখাতের যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকীরণের পথে বাধাগুলো কী কী ?

[ad_1]

✍️বাংলাদেশের কৃষিখাতের যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকীরণের পথে বাধাগুলো কী কী ?

উত্তর : বাংলাদেশের কৃষিখাতের যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকরণের পথে বাধাসমূহ নিম্নরূপ :

১. দরিদ্রতা : বাংলাদেশের কৃষিখাতে যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকায়নের পথে অন্যতম প্রধান বাধা হলো কৃষকের দারিদ্র্যতা ।

২. ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনি : যান্ত্রিকীকরণের পথে একটি প্রধান বাধা হলো এই যে , বাংলাদেশের কৃষিজমি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত ।

৩. বিছিন্ন জমি : কৃষি পরিবারের জমিগুলো সাধারণত একত্রে থাকে না বরং মাঠের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে ।

৪. বেকারত্বের ভয় : কৃষিক্ষেত্রে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে কৃষি পরিবারে কর্মক্ষম সদস্যদের বেকার হওয়ার ভয় থাকে ।

৫. অবকাঠামোর অভাব : গ্রামাঞ্চলে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে কৃষিক্ষেত্রে যান্ত্রিকীকরণ তথা আধুনিকীকরণ সম্প্রসারিত হচ্ছে ।

৬. কারিগরি জ্ঞানের অভাৰ : কৃষিখাতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার নির্ভর করে কারিগরি জ্ঞান এবং কৃষি বিষয়ক শিক্ষার উপর ।

৭. ঋণের অভাব : কৃষিকাজে আধুনিক যন্ত্র ও উন্নত উপকরণ ব্যবহারের জন্য প্রচুর মূলধনের প্রয়োজন ।

৮. বৈদেশিক মুদ্রার অভাব : যন্ত্রায়ন ও আধুনিকায়নের জন্য উন্নত যন্ত্রপাতি , উপকরণ বিদেশ থেকে আমদানি .

৯. প্রতিকূল ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থা : বাংলাদেশের ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থা ভূমি ব্যবস্থাপনা যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকায়নের অনুকূল নয় ।

১০. সরকারি ব্যয়ের স্বল্পতা : সরকারের সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে কৃষিখাতে ব্যয়বরাদ্দ আশানুরূপ হচ্ছে না । ১১. সঠিক নীতিমালার অভাব : বাংলাদেশের কৃষিকে আধুনিকায়ন করার জন্য এখনো পর্যন্ত কোন লাগসই নীতিমালা তৈরি হয় নি ।

✍️ কৃষি খামার কী ?

উত্তর : কৃষি খামার : কৃষি খামারের সন্তোষজনক সজ্ঞা প্রদান করা খুবই দুরূহ । তবে সাধারণভাবে কৃষিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী একককে কৃষি খামার বলে । অন্যদিকে , একজন সংগঠকের অধীনে যে পরিমাণ জমি চাষাবাদ করা হয় তাকে কৃষি জোত বলে । একজন কৃষক তার অধীনস্থ কৃষি জোতে কি কি শস্য , কি পরিমাণে এবং কোন পদ্ধতিতে উৎপাদন করা হবে সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে । এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী একককে খামার বলে । অনেক সময় একজন সংগঠক বিভিন্ন স্থানে একাধিক কৃষি জোত নিয়ন্ত্রণ করে থাকে । সুতরাং খামার বলতে একজন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংগঠকের কৃষি জোতকে বুঝায় যা কৃষি কিংবা কৃষি সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদনে নিয়োজিত থাকে ।

প্রকারভেদ : কৃষি খামারকে প্রধানত বিভিন্নভাগে ভাগ করা যায় । যেমন : –

১. উৎপাদনের উদ্দেশ্য ।

২. ফসল উৎপাদনের ধরন ।

৩. খামারের মালিকানা । উৎপাদনের উদ্দেশ্যের দিক হতে বিবেচনা করলে কৃষি খামার নিম্নোক্ত দুধরনের হতে পারে । যেমন :

ক . জীবন ধারণোপযোগী খামার : যদি কৃষক তার খামার থেকে পরিবারের ভরণ পোষণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল দ্রব্যই উৎপাদন করে তবে তাকে জীবনধারণোপযোগী খামার বলে ।

খ . বাণিজ্যিক খামার : যে খামারের উৎপাদন ব্যবস্থা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য পরিচালিত হয় তাকে বাণিজ্যিক খামার বলে । ফসল উৎপাদনের ধরন অনুযায়ী আবার কৃষি খামারকে ২ ভাগে ভাগ করা যায় । যেমন :

ক . বিশেষায়িত খামার ।

খ . বহুমুখী খামার ।

✍️ বাংলাদেশে ফসল বহুমুখীকরণের পক্ষে যুক্তিসমূহ কী কী ?

উত্তর : বাংলাদেশের ফসল বহুমুখীকরণের পক্ষে যুক্তি : কৃষি উন্নয়নের কৌশল হিসেবে ফসল বহুমুখীকরণের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ :

১. চাহিদা সৃষ্টি : বাংলাদেশের অর্থনীতির মধ্যে কৃষি বৃহত্তম খাত । শিল্প বা সার্ভিস খাত এখনো যথেষ্ট প্রসার লাভ করে নি , আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশও সহজ নয় । অতএব কৃষি খাতের ভেতরেই কৃষি পণ্যের চাহিদা সৃষ্টি করতে হবে । তাই শুধু ধান উৎপাদন করলে ধানের পর্যাপ্ত চাহিদা থাকবে না , বরং কৃষি খাতে একাধিক পণ্য উৎপন্ন হলে পণ্যগুলো পরস্পরের চাহিদা সৃষ্টি করবে । অতএব বাংলাদেশে ফসলের বহুমুখীকরণ প্রয়োজন ।

২. ভূমির ক্ষমতা সংরক্ষণ : একই জমিতে বছরের পর বছর একই ফসল উৎপাদন করলে জমির উৎপাদন ক্ষমতা বিনষ্ট হয় । পক্ষান্তরে , বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করলে গুণাবলির ভারসাম্য বজায় থাকে । অতএব ভূমির উৎপাদন ক্ষমতা সংরক্ষণের জন্য ফসলের বহুমুখীকরণ আবশ্যক ।

৩. সেচ ব্যবহার দক্ষতা : ধান ছাড়া অন্যান্য ফসলের জন্যও পানি সেচের প্রয়োজন হয় । অতএব সেচ সেবার বাজারে দক্ষতা অর্জিত হবে যদি ফসলের বহুমুখীকরণ করা হয় । বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসলের জন্য পানির চাহিদা সৃষ্টি হলে সেচ সেবার দক্ষ ব্যবহার সম্ভব হবে ।

৪. ঝুঁকি হ্রাস : এক ফসলের পরিবর্তে অনেক ফসল উৎপাদন করলে কৃষকের ঝুঁকি হ্রাস পায় । একটি ফসল বিনষ্ট হলেও অন্য ফসল থেকে কৃষকের আয় উপার্জনের সম্ভাবনা থাকে ।

৫. কৃষকের আয় বৃদ্ধি : ফসল বহুমুখীকরণের কারণে সারা বছর খামারে কোন না কোন ফসল থাকে । ফলে কৃষক অধিক আয় উপার্জন করে । এছাড়া একটি পণ্যের যোগান বেড়ে গিয়ে মন্দা সৃষ্টি হয় না বলে কৃষক ন্যায্য দাম পায় । ফলে কৃষকের আয় বাড়ে ।

৬. পুষ্টি : ফসল বহুমুখীকরণের ফলে মানুষ খাদ্যে বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে । ফলে খাদ্য অধিক পুষ্টিকর ও সমৃদ্ধ হয় ।

✍️ কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কী ?

উত্তর : কৃষি যান্ত্রিকীকরণ : সাধারণত কৃষির যান্ত্রিকীকরণ বলতে কৃষিকার্যের বিভিন্ন পর্যায়ে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারকে বুঝায় । বৈজ্ঞানিক উপায়ে আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্য কৃষিকাজ পরিচালনা করাকে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ বলা হয় । কৃষির যান্ত্রিকীকরণ বলতে প্রধানত দুটি জিনিসকে বুঝায় ।

প্রথমত , মান্ধাতার আমলের যন্ত্রপাতির পরিবর্তে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার । দ্বিতীয়ত , কৃষিক্ষেত্রে পশু ও মনুষ্য শক্তির পরিবর্তে যন্ত্রশক্তি প্রয়োগ । বাংলাদেশে এখনো বৃষিকার্যে লাঙল , জোয়াল , মই , কাস্তে , কোদাল , সেউত , দোন প্রভৃতি ব্যবহৃত হয় । কিন্তু বর্তমান যুগে এসব সনাতন কৃষি যন্ত্রপাতির অচল হয়ে পড়েছে । বিশ্বের উন্নত দেশগুলো বর্তমানে কৃষিকাজে ট্রাক্টর , হারভেস্টার , বুলডোজার প্রভৃতি ব্যবহার করে আমাদের চেয়ে চার পাচগুণ বেশি ফসল উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে । অতএব বলা যায় যে , কৃষির যান্ত্রিকীকরণ বলতে কৃষি শ্রম নিবিড় প্রযুক্তির পরিবর্তে পুঁজি নিবিড় প্রযুক্তির ব্যবহারকে বুঝায় ।

✍️বাংলাদেশে ক্ষুদ্র কৃষি খামারের সমস্যাসমূহ আলোচনা কর ।

উত্তর : বাংলাদেশে ক্ষুদ্র কৃষি খামারের ক্ষেত্রে বহুবিধ সমস্যা দেখা দেয় । নিম্নে কতকগুলো সমস্যার কথা উল্লেখ করা হলো :

১. উৎপাদন সমস্যা : ক্ষুদ্র কৃষি খামারে বৃহৎ কৃষি খামারের তুলনায় বিনিয়োগ ব্যয় বেশি । অধ্যাপক Glennson এর মতে ক্ষুদ্র কৃষি খামারগুলোতে বাণিজ্যিক খামারগুলোর অপেক্ষা বিনিয়োগ ব্যয় বেশি পড়ে । উৎপাদন ব্যবস্থা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লাভজনক খামারেও পরিণত করা যায় না । ক্ষুদ্র খামারগুলোতে উপকরণ খরচ বেশি হয় বলে উৎপাদন প্রক্রিয়া বাচাই প্রকল্পে সমস্যার সৃষ্টি হয় ।

২. বিশেষায়ন ও যান্ত্রিকীকরণ সমস্যা : ক্ষুদ্র খামারে উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিশেষায়ন ও যান্ত্রিকীকরণ সম্ভব হয় না । ফলে কাম্য মাত্রায় উৎপাদন নির্ধারণ করা যায় না ।

৩. উফশী বীজ ব্যবহার সমস্যা : উফশী জাতীয় বীজ ব্যবহারের জন্য প্রায় ক্ষেত্রে বাণিজ্যিকভিত্তিক খামার গড়ে . তুলতে হয় । কারণ উফশী বীজ ব্যবহারে কাম্য উৎপাদন করতে সেচ ও যান্ত্রিক ক্ষুদ্র খামারের ক্ষেত্রে এ জাতীয় বীজ • ব্যবহার করা যায় না বলে উৎপাদন কম হয় ।

৪. আর্থিক সমস্যা : ক্ষুদ্রায়তন খামারের উৎপাদিত দ্রব্য শুধু ভোগের জন্য উৎপাদন হয় । যার খুব অল্প পরিমাণ উদ্বৃত্ত থাকে এবং তা বাজারে বিক্রি হয় । এ থেকে প্রাপ্ত আয় খুবই নগণ্য । কিন্তু বিশেষায়িত খামারের উৎপাদন পুরোটা বাণিজ্যিকভিত্তিক ও মুনাফার উদ্দেশ্যে উৎপাদন হয় বলে আর্থিক দিক থেকে অনেক সুবিধা হয় ।

৫. খাদ্য সমস্যা : ক্ষুদ্রায়তন খামার ব্যবস্থায় উৎপাদন কম হয় বলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব নয় । জমি খণ্ড বিখণ্ড ও বিচ্ছিন্নতার কারণে যান্ত্রিক উপায়ে চাষাবাদ সেচ ব্যবস্থা প্রয়োগ , উফশী জাতীয় বীজ , বিপণন কার্যক্রম গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না । ফলস্বরূপ বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টন খাদ্য ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে ।

✍️ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে খাদ্য শস্যের গুরুত্ব আলোচনা কর ।

উত্তর ভূমিকা : বাংলাদেশের অর্থনীতির মধ্যে বৃহত্তম উৎপাদন খাত কৃষি । দেশের জি.ডি.পিতে কৃষিখাতের অবদান প্রায় ৩২ % এবং কৃষিতে মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৬৩ % নিয়োজিত আছে । এ গুরুত্বপূর্ণ কৃষিখাতের প্রধান উৎপন্ন দ্রব্য হচ্ছে খাদ্যশস্য । খাদ্য শস্যের গুরুত্ব : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে খাদ্যশস্যের গুরুত্ব আলোচনা করা হলো :

১. খাদ্যশস্য উৎপাদনে ভূমি : বাংলাদেশের চাষযোগ্য জমির প্রায় ৮৫ % খাদ্য উৎপাদনে নিয়োজিত আছে । শুধু ধান উৎপাদনে ২০০৯-১০ অর্থবছরে ভূমির পরিমাণ ছিল ২৮২.৩৬ লক্ষ একর । অনুরূপভাবে গম , ডাল তৈলবীজের উৎপাদনের ঐ বছরে যথাক্রমে ৯.২২ . ৫.৯৩ ও ৮.৭০ লক্ষ একর জমি নিয়োজিত ছিল ।

২. জাতীয় আয়ের অবদান : বাংলাদেশ জি.ডি.পি. তে প্রায় ২৫ % অবদান রাখে খাদ্যশস্য । খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান প্রধান খাদ্যশস্য । মোট খাদ্যের ৭০ % হচ্ছে ধান ।

৩. কর্মসংস্থানের অবদান : বাংলাদেশে কৃষিতে প্রায় শ্রম নিয়োজিত থাকে প্রায় ৪৩ % । কিন্তু কৃষিখাতে প্রায় তিন চতুর্থাংশ খাদ্যশস্য উৎপাদনে নিয়োজিত আছে । কর্মসংস্থান খাদ্যশস্য উৎপাদনে অর্থনীতিতে অতি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে ।

৪. খাদ্যের যোগান : বাংলাদেশের জনগণের আয়ের ৮০ % ব্যয় হয় খাদ্য ক্রয়ে । আর এ খাদ্যের যোগান দেয় কৃষিখাত । আমাদের কৃষি খাতে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা খাদ্য ঘাটতি পূরণ হয় না । বছরে প্রায় ২০ লক্ষ টন খাদ্য আমদানি করতে হয় । অতএব এদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদন অতি গুরুত্বপূর্ণ ।

৫. রপ্তানি : সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে কিছু উন্নতমানের চাল রপ্তানি শুরু হয়েছে । দেশে ঘাটতি থাকা অবস্থায় কিছু উন্নতমানে ডাল উদ্বৃত্ত আছে । উন্নতমানের ডাল রপ্তানির মাধ্যমে খাদ্যশস্য উৎপাদনে গুরুত্ব প্রকাশ পাচ্ছে ।

উপসংহার : অতএব বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতীয়মান হয় যে , বাংলাদেশে খাদ্যশস্যের উৎপাদন অতি গুরুত্বপূর্ণ । অধিক পরিমাণে ধান উৎপাদনের ফলে বিগত কয়েক বছরে ধানের দাম ন্যায্যমূল্যের নিচে পড়ে যেতে দেখা গেছে । তাই খাদ্য শস্যের পরিবর্তে অন্য ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ফসলের বহুমুখীকরণের কৌশল উপযোগী বলে অনেকে মনে করেন ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!