ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনার সম্পর্ক নির্ণয় কর।

অথবা, স্থানীয় সরকারের সাথে পরিকল্পনার কী সম্পর্ক রয়েছে?
অথবা, স্থানীয় সরকারের সাথে পরিকল্পনা সাদৃশ্য দেখাও।
অথবা, স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনার মধ্যে কেমন সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে?
অথবা, স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনার আন্তঃমিল খুঁজে বের কর।
অথবা, স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনার মিল নির্ণয় কর।
অথবা, স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনা একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর৷ ভূমিকা :
স্থানীয় পর্যায়ের নানাবিধ সমস্যার সমাধান, উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এবং নীতিনির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি পালনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার স্থানীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে। তাই স্থানীয় সরকার পরিকল্পনার গুরুত্ব বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। .
স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনার সম্পর্ক : স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাতে পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। কেননা পরিকল্পনা ব্যতীত স্থানীয় সরকার সঠিকভাবে কার্যাবলি সম্পাদন করতে পারে না। নিম্নে স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনার সম্পর্ক উল্লেখ করা হলো :
১. সম্পদের যথাযথ ব্যবহার : স্থানীয় সরকার সীমাবদ্ধ সম্পদের সুষ্ঠু বিন্যাস ও বণ্টনের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে। সমাজের সামগ্রিক প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে দুষ্প্রাপ্য সম্পদের সুষ্ঠু এবং কাম্য সম্পদের ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পরিকল্পনার কোনো বিকল্প নেই।
২. ভারসাম্য উন্নয়ন : স্থানীয় সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের নানারকম উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত করে। এর ফলে একদিকে যেমন স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন ঘটে তেমনি সার্বিকভাবে জাতীয় উন্নয়ন সাধিত হয়।এছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের উন্নয়নে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
৩. আয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি : স্থানীয় সরকার সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের আয়ের উৎস সন্ধান ও নতুন নতুন আয়ের উৎস সৃষ্টি করে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে থাকে। এর ফলে দেশের উৎপাদন শক্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায় ।
৪. মানব সম্পদ উন্নয়ন : জনশক্তি যে কোনো দেশের জন্য সম্পদ।জনসম্পদকে যদি জনশক্তিতে রূপান্তর করা যায় তবে সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে। আর এর জন্য প্রয়োজন যথোপযুক্ত পরিকল্পনার। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করে জনশক্তি গড়ে তোলে।
৫. জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি : স্থানীয় সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে জনগণকে সচেতন করে তোলে। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জনগণকে প্রশাসনিক কাজকর্ম সম্পর্কে দক্ষ করে তোলে ।
৬. উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করা : স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনা এ দুটি প্রত্যয়ের সুষ্ঠু সমন্বয়ের দ্বারা সার্বিক উন্নয়নের গতি সম্প্রসারিত হয়। কেননা পরিকল্পনা ব্যতীত প্রতিষ্ঠান সফল হতে পারে না।
উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনার মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। স্থানীয় সরকার ও পরিকল্পনার যৌথ সমন্বয়ে উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হয় এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটে।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!