ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

র‍্যাংক বা গুণানুক্রমিক সহসম্পর্ক সহগের সংজ্ঞা দাও ।

অথবা, ব্যাংক বা গুণানুক্রমিক কী?
অথবা, ব্যাংক বলতে কী বুঝ?
অথবা, গুণানুক্রমিক বলতে কী বুঝ?
অথবা, র্যাংক বা গুণানুক্রমিক ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর৷ ভূমিকা :
গুণাত্মক বিভিন্ন উপাত্তের সংশ্লেষাঙ্ক নির্ণয়ের জন্য র‍্যাংক বা গুণানুক্রম সংশ্লেষাঙ্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় । ব্রিটিশ বিজ্ঞানী Charles Edward Spearman ১৯০৪ সালে দুটি চলকের মধ্যে সহসম্পর্ক নির্ণয়ের একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন যা Rank Correlation বা গুণানুক্রম সহসম্পর্ক নামে পরিচিত।
গ্যাংক বা গুণানুক্রমিক এর সংজ্ঞা : গুণাত্মক উপাত্তকে এদের মান অনুযায়ী র‍্যাংক বা মাত্রা অনুসারে ক্রমিক নম্বর প্রদান করে সহসম্পর্ক নির্ণয়ের পদ্ধতিকেই গুণানুক্রম সহসম্পর্ক সহগ বলে। বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা ও মেধা প্রভৃতি গুণাবাচক চলকের মধ্যকার সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য গুণানুক্রম সহসম্পর্ক ব্যবহৃত হয় । Gupta and Gupta 43, “The rank correlation coefficient is applied to set of ordinal rank first in quantity or quality and go on to N for the individual ranked last in a group of N individuals.” ব্যাংক সহসম্পর্ক সহগকে সংক্ষেপে R বা P দিয়ে প্রকাশ করা হয়। ব্যাংক সহসম্পর্ক সহগ নির্ণয়ের সূত্র হলো :
উপসংহার : যে সব চলকে সুনির্দিষ্ট সংখ্যাত্মক মানে প্রকাশ করা যায় না, কিন্তু তাদের ক্রমানুযায়ী সাজানো যায় সেসব দুই চলকবিশিষ্ট তথ্যের Rank correlation ব্যবহার করা অত্যন্ত সুবিধাজনক। র‍্যাংক সহসম্পর্ক সহগের ক্ষেত্রে চলক রাশিগুলোকে এদের মানের ক্রমানুসারে অর্থাৎ বড় থেকে ছোট অনুযায়ী নম্বর বা Rank প্রদান করা হয়।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!