ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

রাজনৈতিক অংশগ্রহণের মনস্তাত্ত্বিক উপাদানসমূহ আলোচনা কর ।

অথবা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণের মনস্তাত্ত্বিক উপাদানগুলো বর্ণনা কর।
অথবা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণের মনস্তাত্ত্বিক নিয়ামকগুলো তুলে ধর।
উত্তর।। ভূমিকা :
রাজনীতি উদাসীন ব্যক্তির আচরণ ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে মনস্তাত্ত্বিক উপাদানসমূহের গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুরূপভাবে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও ব্যক্তির মনস্তাত্ত্বিক উপাদানসমূহের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অন্যতম নির্ধারক হিসাবে মনস্তাত্বিক উপাদানগুলোর ভূমিকার গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনস্বীকার্য। মনস্ত ত্ত্বিক প্রয়োজন পূরনের আকাঙ্খা ব্যক্তিকে রাজনৈতিক অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করে। অনেকের মতানুসারে ব্যক্তির রাজনৈতিক আচরণমূলক প্রতিবেদন থেকে ব্যক্তির মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায়।
মনস্তাত্বিক উপাদানসমূহ : রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞানীরা রাজনৈতিক অংশগ্রহণের নির্ধারক সম্পর্কে আলোচনার প্রাক্কালে মনস্তাত্ত্বিক উপাদানসমূহের উপর জোর দেন। এ প্রসঙ্গে কতকগুলো বিষয়ের আলোচনা আবশ্যক। এই বিষয়গুলো হলো ক. ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা, খ. রাজনৈতিক পরিবেশ সম্পর্কে অবহিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা, গ. নিসঙ্গতা এবং ঘ. মানসিক দ্বন্ধ ও উদ্বেগ উত্তেজনা
ক. ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা : ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হিসাবে প্রতিপন্ন হয়। মার্কিন রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞানী লাস, ওয়েল এর মতানুসারে ক্ষমতার জন্য আকাঙ্ক্ষা হল মানুষের অন্যতম আবশ্যিক আচরণ। মানুষ মাত্রই মনস্তাত্ত্বিক ভাবে ক্ষমতাকামী। সকলে সবসময় নিজেকে ক্ষমতাবান হিসাবে বিবেচনা করতে ভালাবাসে। ক্ষমতা প্রয়োগের যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক, তবুও মানুষ ক্ষমতা পেতে চায়। ক্ষমতার মাধ্যমে সমাজে সম্পদ, সম্মান, শ্রদ্ধা, যশ প্রতিপত্তি প্রভৃতি মানবজীবনের অভিপ্রেত অনেক কিছুই অর্জন করা যায়। যদিও সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনস্বীকার্য। যেখানে রাজনৈতিক
কাজকর্মের মূল্য বেশি। রাজনৈতিক কাজকর্মের মাধ্যমে মান-যশ সম্মান সম্পদ প্রভৃতি পাওয়া যায় বা রাজনৈতিক অংশগ্রহণ যেখানে অধিক প্রতিদান দেয় সেখানে মানুষ অধিকমাত্রায় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে। বিপরীতে ক্রমে যেখানে রাজনৈতিক কাজকর্মের মূল্য কম সেখানে রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে ভাল চোখে দেখা হয় না বা রাজনৈতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে মান-মর্যদা, সম্মান প্রতিপত্তি প্রভৃতি পাওয়া যায় না, সেখানে রাজনৈতিক কাজকর্মে মানুষের অংশগ্রহণের প্রবণতা পরিলক্ষিত হয় না।
খ. রাজনীতিক পরিবেশ সম্পর্কে অবহিত হবার আকাঙ্ক্ষা : যে রাজনৈতিক পরিবেশের মধ্যে মানুষ বসবাস করে। সেই পরিবেশ সম্পর্কে সে সম্যকভাবে অবহিত হবার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে। এই আকাঙ্ক্ষা পরিতৃপ্তির প্রেরণা মানুষকে রাজনেতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের ব্যাপারে অনুপ্রাণিত করে। যে রাজনৈতিক পরিবেশে পরিমণ্ডলের মধ্যে ব্যক্তি বসবাস করে তার অর্থ অনুধাবনের আগ্রহকে অগ্রাহ্য করা যায় না। এই আগ্রহের পরিতৃপ্তির প্রয়োজন রাজনৈতিক অংশগ্রহনের পিছনে অন্যতম মনস্তাত্ত্বিক কারণ হিসাবে প্রতিপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে মানুষ সচেতনভাবেই রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সামিল হয়। আবার যার মধ্যে এই আগ্রহ অনুপস্থিত সে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ব্যাপারে অনাগ্রহী হয়ে পড়ে। এ প্রসঙ্গে মুখপাধ্যায় মন্তব্য করেছেন : “An individual becomes Politically involved because he is keen on deriviny meaning from the Political environment he is living within”
গ. নিসঙ্গতা : মানুষ নিসঙ্গতা দূর করতে চায় এবং অপরের সঙ্গ লাভ করতে চায়। রাজনৈতিক অংশগ্রহণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি মানুষের এই মনস্তাত্ত্বিক চাহিদার পরিতৃপ্তি ঘটে। মানুষ নিসঙ্গতা থেকে মুক্তি লাভের বাসনায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে এবং অন্য ব্যক্তির সঙ্গ লাভ করে। এ প্রসঙ্গে Robert E, lane বলেন, “Politics may offer to the lonely man new opportunites for association with others the excuse may be politics, the mad may be fear of isolation.”
ঘ.নির্গত মানসিক দ্বন্ধ ও উদ্বেগ-উত্তেজনা : সামাজিক পারিবারিক ক্ষেত্রে ব্যক্তিমানুষকে অনেক সময় নান রকম সংঘাত-সঙ্কটের সম্মুখীন হতে হয়। সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের এই সমস্ত সমস্যা ব্যক্তির অব চেতন মনে দ্বন্দ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করে। মনের নির্জান স্তরে এই দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনা এক অব্যক্ত যন্ত্রনার সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই যন্ত্রণা লাঘব হয় বা দূর হয়। এবং জীবন ধারা নতুন পথে পরিচালিত হয়। সুতরাং নিজ্ঞান মানসিক ব্রহ্ম ও উদ্বেগ উত্তেজনাকে দূরীভূত করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনস্বীকার্য। অধ্যাপক মুখোপাধ্যায় এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন : “Political Participation may also be attributed to unconsciously operative psychological elements.”

ঙ. মনোগত সংশ্লিষ্টতা : মানসিক সংশ্লিষ্টতা বলতে রাজনৈতিক বিষয় ও কর্মকাণ্ডে নাগরিকদের আগ্রহ ও এসবের
সাথে তাদের সম্পর্কের মাত্রাকে বুঝায়। এটি রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক এবং এটি একটি ধারাবাহিক/চলমান প্রক্রিয়া। এক দিকে নিয়ত দ্বন্দ্ব সংঘাতে লিপ্ত ব্যক্তিগণ অন্যদিকে যারা একান্ত ব্যক্তিগত জীবনে মগ্ন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে উদাসীন ব্যক্তিবর্গ, তবে বিশেষ পরিস্তিতিতে নাগরিকদের মানসিক সংশ্লিষ্টতা বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় নাগরিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায় যদিও এটি খুব সাময়িক। গবেষনায় দেখা গেছে, মানসিকভাবে অধিক সংশ্লিষ্টতা প্রচারণা ও গোষ্ঠী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে অধিক জোরালো হয় এবং ভোট দানের ক্ষেত্রে জোরালো হয়। কারণ অনেক ব্যক্তিই রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা বা গোষ্ঠী চাপে পড়ে ভোটদানে অংশগ্রহণ করে। তবে গোষ্ঠীভেদে রাজনীতিতে মানসিক সংশ্লিষ্টতা ভিন্ন হতে পারে।
চ. নাগরিক দায়িত্ববোধ : রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নাগরিক দায়িত্ববোধ অন্যন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক।অংশগ্রহণের দায়িত্ববোধ মানুষকে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিকে চালিত করে। শিক্ষিত ও সচেতন জনগোষ্ঠীর মধ্যে নাগরিক দায়িত্ববোধ বেশি; যেমন: যুক্তরাষ্ট্রে ৮০-৯০% লোক রাজনৈতিক অংশগ্রহণের দায়িত্ব প্রদর্শন করে। ব্রিটেনে ৮২% লোক ভোটদানকে নিজেদের দায়িত্ব বলে মনে করে।
ছ. রাজনৈতিক ফলপ্রসূতা : রাজনৈতিক ফলপ্রসূতা হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারার যোগ্যতার অনূভূতি। অর্থাৎ ব্যক্তি সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে সক্ষম এ অনূভূতি হলো রাজনৈতিক ফলপ্রসূতা। যখন জনগণ বিশ্বাস করে যে, তারা সরকারি কর্মকর্তা বা সরকারি বিষয়ের উপর প্রভাব ঘটাতে পারে তখন তাদেরকে রাঝনৈতিকভাবে যোগ্য বা সক্ষম বলে বিবেচনা করা হয়। মূলত রাজনৈতিক ফলপ্রসূতা। বলতে যোগ্যতা বা সামর্থ্যকে
বুঝানো হয়। যে জনগোষ্ঠী নিজেকে রাজনীতি ও সরকারকে প্রভাবিত করার যোগ্য মনে করে সে জনগোষ্ঠীর মধ্যে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের হার বেশি। রাজনৈতিক ফলপ্রসূতা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের মধ্যে ধনাত্মক সম্পর্ক বিরাজমান।রাজনৈতিক ফলপ্রসূতার অনুভূতি রাজনৈতিক সক্রিয়তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক।
জ. দলীয় পরিচিতি : নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাত্রা ও প্রবণতা ব্যাখ্যা করার একটি মৌলিক চলক হলো দলীয় পরিচিতি। দলীয় পরিচিতি হলো কোন রাজনৈতিক দলের সাথে মানসিক বন্ধন/সংশ্লিষ্টতা অথবা দলের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধতা। রাজনৈতিক অংশগ্রহণে দলীয় পরিচিতির প্রভাব আর্থসামাজিক চলকগুলো থেকে স্বাধীন। তবে অংশগ্রহণে দলীয় পরিচিতির প্রভাব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধারার সাথে সাথে ভিন্ন হয়। ভোটদান ও নির্বাচনের সাথে এর সম্পর্ক খুবই নিবিড়। দলের সক্রিয় সদস্য বা সমর্থকগণ দলের যে কোন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অংশ নিয়ে থাকে। একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন স্বার্থ গোষ্ঠীর মিলন ক্ষেত্র। এসব জনগোষ্ঠীকে একই প্লাটফর্মে সমবেত করে বিভিন্ন জাতীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে এবং অংশগ্রহণ কমবেশি নির্ভর করে দলের সঠিক কর্মসূচির উপর, সৎ, যোগ্য নেতৃত্বের উপর।কাজেই দলীয় পরিচিতি রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অন্যতম প্রভাবক।
ঝ. গোষ্ঠী সচেতনতা : দলীয় পরিচিতির মতই অন্যন্য একটি প্রভাবক হলো গোষ্ঠী সচেতনতা; যেমন- গোষ্ঠীর সাথে একাত্মতার অনুভূতি। এটি ব্যক্তিকে রাজনৈতিক অংশগ্রহণে চালিত করে। কোন একটি গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার্থে বা গোষ্ঠীর দাবি আদায়ের নিমিত্তে এর সদস্যগণ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে ও কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।
ঞ. রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতা, নৈরাশ্য ও অবিশ্বাস : রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার কয়টি দিক রয়েছে রাজনৈতিক ক্ষমতাহীনতা, নীতি বা আদর্শহীনতা, অবিশ্বাস ও নৈরাশ্য, রাজনৈতিক ক্ষমতাহীনতা বলতে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রভাব সৃষ্টির অক্ষমতাকে বুঝায়। নীতি বা আদর্শহীনতা বলতে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠিত কোন আদর্শের অনুপস্থিতি বা একাধিক (বিরাজমান) আদর্শের দ্বন্ধ কিংবা রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিচালনার নিয়মকানুন সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা বা এ নিয়মের প্রত্যাক্ষণকে বুঝায় । রাজনৈতিক অবিশ্বাস ও নৈরাশ্য হলো রাজনৈতিক ব্যবস্থা, সরকার ও নেতৃত্বে আস্থাহীনতা এবং তার কারণে সৃষ্ট হতাশা। কোন গোষ্ঠীকে দীর্ঘদিন রাজনৈতিক ব্যবস্থা থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে হলে তার মধ্যে দু’ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। হয়তো সে জনগোষ্ঠী সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবে (কিছু লোক যারা নিজেদেরকে ক্ষমতাহীন মনে করে তার বাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেবে, কিন্তু রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি অনুগত থাকবে) অথবা ক্ষমতার চর্চার বা রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের সুযোগ আদায়ের জন্য অধিক হারে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেবে; যেমন: প্রতিবাদ, ধর্মঘট, বিক্ষোভ, বিপ্লব বা বিদ্রোহ। যেমনটা হয়েছিল যুক্ত পাকিস্তানে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মধ্যে।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, কোন ব্যক্তি নির্দিষ্ট কোন রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি অনস্থা পোষণ করতে পারে কিন্তু পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি অনুগত থাকবে। আবার রাজনৈতিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্নতা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা নেতৃত্বের প্রতি অবিশ্বাস জনগণের মধ্যে হতাশা বা নৈরাশ্যের জন্ম দিতে পারে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত হতাশা কোন জনগোষ্ঠীকে বিদ্রোহী করে তুলতে পারে। অনেক সময় ক্ষমতাহীনতা থেকে অবিশ্বাস ও নৈরাশ্য জন্ম নিতে পারে। তবে একথা সত্যি যে রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার যে কোন অনুভূতি রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাবের জন্ম দেয় এবং বিচ্ছিন্নতার সাথে অংশগ্রহণের সম্পর্ক ঋণাত্মক।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!