ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ রাজস্বনীতির হাতিয়ারসমূহ কী কী ?

[ad_1]

প্রশ্নঃ রাজস্বনীতির হাতিয়ারসমূহ কী কী ?

উত্তর ৷ ভুমিকা : আয়ব্যয় নীতি হিসেবে প্রতিটি দেশই বেশকিছু হাতিয়ারের সাহায্য নেয় তথা বেশকিছু পদ্ধতির মাধ্যমে সরকারের আয়ব্যয় পরিচালনা করা হয় । যা রাজস্বনীতির হাতিয়ার হিসেবে পরিচিত ।

রাজস্বনীতির হাতিয়ার : নিম্নে সংক্ষেপে রাজস্বনীতির হাতিয়ারসমূহের ব্যাখ্যা দেয়া হলো :

১. সরকারি ঋণ : সরকার রাজস্বনীতির হাতিয়ার হিসেবে ঋণ নীতিকে ব্যবহার করেন । সরকার জনগণের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারে । এরূপ ঋণ গ্রহণ করে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস করা হয় এবং অর্জিত অর্থ দেশের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হয় । অর্থনীতিতে আয় , নিয়োগ , উৎপাদন ও দামস্তরের উপর প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব ।

২. বাধ্যতামূলক সঞ্চয় : বাধ্যভাবে বা নানা কৌশলে সরকার সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের আয় বা বেতনের যে অংশটুকু কেটে রাখে তাকে বলা হয় বাধ্যতামূলক সঞ্চয় । এটি অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে ।

৩. নতুন করনীতি : রাজস্বনীতির হাতিয়ার হিসেবে নতুন করনীতি ভূমিকা রাখে । সরকার অনেক দেশের বিশেষ প্রয়োজনে নতুন কর ব্যবস্থার সাহায্য নেয় । এরূপ কর থেকে সংগৃহীত অর্থ দেশের জনগণের ক্রয়ক্ষমতা এবং অন্যান্য প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থনীতির উপর প্রভাব বিস্তার করে ।

৪. বাজেট : অর্থনীতিতে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থা আনতে বাজেট একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে । বিভিন্ন ধরনের বাজেট দ্বারা রাজস্বনীতি বাস্তবায়ন করা হয় ।

i . বার্ষিক ভারসাম্য বাজেট : সরকার তার বাজেট এবং উন্নয়ন বাজেট দ্বারা দেশের জনগণের আয় উৎপাদন এবং দাম স্তর নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ।

ii . চক্রবৃদ্ধি ভারসাম্য বাজেট : চক্রবৃদ্ধি ভারসাম্য বাজেটটি সুইডিস বাজেট থেকে এসেছে । এখানে সচ্ছলতার সময়ে সরকার ঋণপত্র প্রত্যাহার এবং মন্দার সময়ে ঋণপত্রের মাধ্যমে ঋণ নিতে পারে ।

iii . পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত ক্ষতিপূরণমূলক বাজেট : এ ধরনের বাজেট পুরোটাই নিয়ন্ত্রিত । এখানে সরকার ইচ্ছা করলে সব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ।

৫. কর রাজস্ব : রাজস্বনীতির হাতিয়ারগুলোর মধ্যে অন্যতম হাতিয়ারটি হলো কর রাজস্ব । সরকার তার করনীতির মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রা তথা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উপর ব্যাপক প্রভাব রাখতে পারে । মন্দার সময়ে সরকার শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং আমদানির উপর কর কমিয়ে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এবং সমৃদ্ধির সময়ে করনীতির পরিবর্তন করতে পারে ।

৬. গণপূর্ত : রাজস্বনীতির অন্যতম হাতিয়ারগুলোর আরেকটি হলো গণপূর্ত কার্যক্রম । কেইন্স এ নীতির সমর্থক । মন্দাকালে সরকার পূর্ত কার্যক্রম সম্প্রসারণ বা হস্তান্তর পাওনা ব্যয় করে সহজেই মন্দা বাগে আনতে পারে ।

মন্দাকালে গণপূর্ত দ্বারা

i . আর্থিক সামাজিক অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়ে ।

ii . শ্রমিকদের মেধার অপব্যবহার রোধ করে ।

iii . জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে যা চাহিদা বাড়িয়ে দেয় ।

iv . বেকার শ্রমিকদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং

v . এটি বেসরকারি বিনিয়োগের দ্বার উন্মোচন করে ।

৭. ভর্তুকি নীতি : সরকার তার রাজস্ব ব্যবস্থায় ভর্তুর্কি নীতির স্থান দিতে পারে । সরকার নানা ধরনের জনকল্যাণমূলক খাতে ভর্তুকি নীতির বাস্তবায়ন করে । এ নীতির মাধ্যমে আয় , নিয়োগ , উৎপাদন এবং দামস্তরের উপর প্রভাব বিস্তার করে ।

৮. সরকারি ব্যয় : রাজস্বনীতির হাতিয়ার হিসেবে সরকার তার ব্যয় নীতিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে । সরকার নানা খাতে ব্যয় করে থাকে । বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করা বা উন্নয়নের জন্য ব্যয় এগুলো সরকারের ব্যয়েরই অংশ । সরকারি ব্যয় আবার হস্তান্তরমূলক হয়ে থাকে । যেমন- ভাতা , পেনশন , সরকারি ঋণের সুদ ইত্যাদি ব্যবস্থা করা । এ সকল ব্যয় সরকারের উৎপাদন , ভোগ , নিয়োগ ইত্যাদিতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে ।

উপসংহার : আলোচনাকৃত হাতিয়ারগুলোর মাধ্যমে সরকার দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে যা কল্যাণ বা সমৃদ্ধি ও অকল্যাণ দুটোই আনতে পারে ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!