ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির উপায় বর্ণনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির উপায় বর্ণনা কর ।

উত্তর ভূমিকা : সরকারের বাজেটে নিয়মিত ব্যাপক ঘাটতি থাকা এবং ঐ ঘাটতি সরকারি ঋণের মাধ্যমে পূরণ করার প্রথা অর্থনীতির জন্য মোটেও শুভ নয় । বাংলাদেশের সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাপক সরকারি ঋণ গ্রহণ করার ফলে ঋণ সেবার পরিমাণ মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে । ২০০৮-০৯ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ২২ % ঋণ সেবাতে ব্যয় হয়েছে । অতঃপর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও ২০০৯-১০ সালে রপ্তানি আয়ের ১০ % ঋণ সেবাখাতে ব্যয় হয়েছে । এহেন পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য সরকারি খাতে সঞ্চয় তথা রাজস্ব উদ্বৃত্ত বাড়িয়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থায়ন করতে হবে ।

রাজস্ব বৃদ্ধির উপায় : নিয়ে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ উপায় বর্ণনা করা হলো :

১. প্রত্যক্ষ কর বৃদ্ধি : বাংলাদেশের প্রত্যক্ষ কর পর্যাপ্ত পরিমাণে আদায় করা হচ্ছে না । এখানে মোট কর রাজস্বের প্রায় ২৭ % আদায় হয় প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে । কিন্তু ইন্দোনেশিয়া , মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে প্রত্যক্ষ কর থেকে মোট কর রাজস্বের যথাক্রমে প্রায় ৩৭ % এবং ৪৫ % আদায় করা হচ্ছে । অতএব প্রত্যক্ষ কর রাজস্ব বৃদ্ধির কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে ।

২. আয়করের আওতা সম্প্রসারণ : প্রত্যক্ষ করের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আয়কর । কিন্তু বাংলাদেশে আয়করের আওতা অপেক্ষাকৃত সংকীর্ণ । আয়করের আওতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে ।

৩. কর রাজস্ব বৃদ্ধি : সরকারের কর রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে । বাংলাদেশে কর রাজস্ব বৃদ্ধির ব্যাপক অববংশ রয়েছে । কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে কর / জিডিপি অনুপাত মাত্র ১৮.১ % , যদিও ভারত , ইন্দোনেশিয়া , মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে এ অনুপাত যথাক্রমে ২৬.২ % , ৩০.৭ % এবং ৩২.৮ % আছে ।

৪. মূল্য সংযোজন করের আওতা বৃদ্ধি : কর আহরণে মূল্য সংযোজন কর অত্যন্ত কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে । উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ী এ কর সহজে ফাঁকি দিতে পারে না । তাই নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকে এ কর পদ্ধতি চালু করার পর সম্প্রতি এ কর সরকারের রাজস্বের অন্যতম বৃহত্তম উৎনে পরিণত হয়েছে । অতএব আরো বেশি পণ্যকে এ করের আওতায় এনে কর রাজস্ব বাড়ানো সম্ভব ।

৫. কর ফাঁকি রোধকরণ : বাংলাদেশে ব্যাপক হারে কর ফাঁকি দেয়া হয় । করের ভিত্তি গোপন করা , কর সংক্রান্ত কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজশ ইত্যাদি কারণে কর ফাঁকি দেয়া সম্ভব হয় । অতএব কর ফাঁকি রোধকরণের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করা সম্ভব ।

৬. কর প্রশাসনিক সংস্কার : কর প্রশাসনের দুর্বলতা বাংলাদেশে কর রাজস্বের স্বল্পতার অন্যতম প্রধান কারণ । প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার এবং কর্মকর্তাদের দুর্নীতি রোধকরণের মাধ্যমে কর রাজস্ব বৃদ্ধি করা যেতে পারে ।

৭. ভূমি উন্নয়ন কর : বাংলাদেশে ভূমি উন্নয়ন কর থেকে অতি সামান্য রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে । অথচ দেশে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলশ্রুতিতে জমাজমির মূল্যবৃদ্ধি পাচ্ছে । অতএব ভূমি উন্নয়ন করের কাঠামো সংস্কার করে এবং ভূমির উৎপাদন ক্ষমতার সাথে করের সমন্বয় করে এ উৎস থেকে রাজস্ব বৃদ্ধি করার অবকাশ আছে ।

৮. ডাক বিভাগ , টি এন্ড টি বিভাগ ও শিক্ষা বিভাগে রাজস্ব বৃদ্ধি : ডাক বিভাগ , টি এন্ড টি বিভাগ ও শিক্ষা বিভাগ থেকে সরকারের আয় বৃদ্ধির অবকাশ আছে । এগুলোতে উন্নতমানের সেবা প্রদান ও যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো সম্ভব ।

৯. রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ বৃদ্ধি : রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহ প্রায়ই রুগ্ন অবস্থায় আছে । যথাযথ সংস্কারের মাধ্যমে এগুলোর মুনাফা বৃদ্ধি করা সম্ভব । যদি তা সম্ভব না হয় তবে শীঘ্র রুগ্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা প্রয়োজন । বেসরকারিকরণের ফলে সরকার অন্তত ভর্তুকি প্রদান থেকে রেহাই পাবে ।

উপসংহার : বাংলাদেশে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির কতিপয় উপায় উপরে বর্ণনা করা হলো । সর্বোপরি সরকারের রাজস্ব আদায়ের ব্যাপারে দুর্নীতিমুক্ত সুব্যবস্থাপনা একান্ত প্রয়োজন ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!