ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের গুরুত্ব আলোচনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের গুরুত্ব আলোচনা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : জীবিকার সন্ধানে দেশের বাইরে অন্য কোন দেশে বাংলাদেশের কর্মজীবী মানুষেরা অবস্থান করে । তাদের উপার্জিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় দেশে প্রেরণ করলে তাকে রেমিট্যান্স বলে । রেমিট্যান্স যে কোন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে ।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের গুরুত্ব : নিম্নে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের গুরুত্ব আলোচনা করা হলো :

১. জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করতে : বৈদেশিক মুদ্রার সংরক্ষণ গড়ে তোলা , অভ্যন্তরীণ পুঁজি প্রবাহ বৃদ্ধি , সামাজিক বৈষম্য হ্রাস ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রেমিট্যান্স অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে থাকে ।

২. দরিদ্রতা দূরীকরণে : বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি অন্যতম দারিদ্র্যপীড়িত দেশ । এদেশে অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে । প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দরিদ্রতা দূরীকরণে ব্যাপক সহায়তা প্রদান করে থাকে ।

৩. গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে : প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্যায়ের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগ হওয়ায় দেশেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে । বিশেষ করে আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের ব্যাপক প্রভাব পড়ছে । ও মাঝারি পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যবসায় মৎস্য ও পশু পালন প্রভৃতি খাতে বিনিয়োগে রেমিট্যান্স বিশেষ ভূমিকা পালন করছে ।

৪. বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে: একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিনিয়োগের সাথে সরাসরি জড়িত । দেশের জনগণের হাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থ না থাকলে তারা বিনিয়োগ করে না । প্রবাসীদের নিকট হতে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের মাধ্যমে জনগণের ভিতরে লাভজনক খাতে বিনিয়োগের প্রতি একটা আগ্রহ জন্ম নেয় ।

৫. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিশ্চিত করতে : প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিশ্চিত করতে সহায়তা করে থাকে । বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পর্যাপ্ত না হলে আমাদের অর্থনীতি স্থবির হতে বাধ্য । কারণ প্রতি বছর আমাদের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হয় খাদ্যদ্রব্যসহ বিবিধ পণ্যসামগ্রী , যন্ত্রপাতি , শিল্পের কাঁচামাল , প্রযুক্তি ইত্যাদি আমদানি করার জন্য । রেমিট্যান্স ছাড়া আমাদের আমদানি খাতের বৈদেশিক মুদ্রার যোগান দেয়া ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াতো ।

৬. অভ্যন্তরীণ পুঁজি প্রবাহ বৃদ্ধি করতে : বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পুঁজির ব্যাপক স্বল্পতা রয়েছে । পুঁজির স্বল্পতার জন্য শিল্পের প্রসার ঘটতে পারে নি । শিল্পের প্রসার ছাড়া একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান করা যায় না । রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পুঁজি প্রবাহ অনেকটা বৃদ্ধি করেছে । প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ দিয়ে বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে । এর ফলে অর্থনীতির চাকা অনেক বেশি সচল রয়েছে ।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় রেমিট্যান্স একটি দেশের জন্য ব্যাপক ভূমিকা রাখে তার আর্থসামাজিক , কর্মসংস্থানসহ আরো অন্যান্য অনেক খাতে ।

[ad_2]



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!