ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান আলোচনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান আলোচনা কর ।

ভূমিকা : বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কৃষি খাতের মধ্যে আছে কৃষি ও বনজ শস্য ও শাক সবজি , পশু সম্পদ ও মৎস্য সম্পদ । উত্তর 4 চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরের স্থূল দেশজ উৎপাদনে সার্বিক কৃষি ( Broad agriculture ) খাতের মধ্যে কৃষি ও বনজ খাতে প্রবৃদ্ধির হার প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪.৮২ শতাংশ যা গত অর্থবছরে ছিল ৫.৫৬ শতাংশ । এ খাতের শস্য ও শাকসবজি উপখাতে চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে ৫.০৪ শতাংশ যা গত অর্থবছরে এ খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬.১৩ শতাংশ ।

চলতি অর্থবছরে মোট খাদ্যশস্য ( চাল , গম ও ভুট্টা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে । ৩৬৯.৩৬ লক্ষ মেট্রিক টন , যা গত অর্থবছরের মোট খাদ্য শস্য উৎপাদন ৩৪১.১৩ লক্ষ মেট্রিক টন অপেক্ষা ৮.২৩ শতাংশ বেশি । প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী এ বছর আউশ ও আমনের উৎপাদন হয়েছে ১৩৯.১৬ লক্ষ মেট্রিক টন , যা গত বছরের উৎপাদন ( ১৩৫.০৭ লক্ষ মেট্রিক টন ) অপেক্ষা ৩.০৩ শতাংশ বেশি । এ বছর বোরোর উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ১৮৬.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন , যা গত বছরের বোরো উৎপাদন ( ১৯৩.৪১ লক্ষ মেট্রিক টন ) অপেক্ষা ১.৬৮ শতাংশ বেশি ।

পর্যাপ্ত সার ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বোরোর উৎপাদন ভালো হওয়ায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে । এছাড়া অন্যান্য শাকসবজি উৎপাদনও এ বছর ভালো হওয়ায় গত অর্থবছরের বড় ভিত্তির ( high base ) উপর চলতি অর্থবছরে শস্য ও শাকসবজি উপখাতে ৫ শতাংশেরও বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে । চলতি অর্থবছরে প্রাণিজ সম্পদ ও বনজ সম্পদ উপখাতে প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে যথাক্রমে ৩.৫৪ শতাংশ ও ৫.৩৫ শতাংশ । গত অর্থবছরে এ দুই উপখাতে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয় যথাক্রমে ৩.৩৮ শতাংশ ও ৫.২৩ শতাংশ ।

চলতি অর্থবছরে এভিয়ান ফ্লুর মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মুক্ত থাকায় প্রাণিজ সম্পদ উপখাতে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে । বনজ সম্পদ উপখাতেও প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে । মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী ২০১০-১১ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ ও সামদ্রিক উৎস হতে মোট মৎস্য আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৩১ লক্ষ মেট্রিক টন , যা ২০০৯-১০ অর্থবছরে মোট মৎস্য আহরণের ( ২৮.৯৯ লক্ষ মেট্রিক টন ) তুলনায় ৬.৯৩ শতাংশ বেশি । এ খাতে চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার প্রাক্কলন করা হয়েছে ৫.৪৪ শতাংশ , যা ২০০৯-১০ অর্থবছরে ছিল ৪.১৫ শতাংশ ।

উপসংহার : সুতরাং কৃষি খাত জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে যদিও তা ক্রমহ্রাসমান ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!