ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

প্রথম অধ্যায়,বাংলাদেশ দর্শনের উৎপত্তি, প্রকৃতি, পরিধি এবং বৈশিষ্ট্য

ক-বিভাগ

১. বাঙালির দর্শন কী?
উত্তর : বিভিন্ন যুগে বাঙালির চিন্তা-চেতনা মননে জগৎ,জীবন, ধর্ম, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজ ও অর্থনীতিকে কেন্দ্র করে যে দার্শনিক মতবাদ গড়ে উঠেছে তাই বাঙালির দর্শন।
২. বাঙালি দর্শনের ইতিহাস কয়টি যুগে বিভক্ত?
উত্তর : বাঙালি দর্শনের ইতিহাস তিনটি যুগে বিভক্ত। যথা : (ক) প্রাচীনযুগ, (খ) মধ্যযুগ ও (গ) আধুনিক যুগ।
৩. বাঙালি দর্শনের প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল কত?
উত্তর : খ্রিস্টপূর্ব যুগ থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত।

৪. বাঙালি দর্শনের মধ্যযুগের ব্যাপ্তিকাল কত?
উত্তর : দ্বাদশ থেকে অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত।
৫. বাঙালি দর্শনের আধুনিক যুগের বিস্তৃতি কাল কত?
উত্তর : অষ্টাদশ শতক থেকে বর্তমান পর্যন্ত।
৬. বাঙালি দর্শন চর্চার সূত্রপাত করেন কারা?
উত্তর : প্রাচীন বাঙালিরা অর্থাৎ অনার্যরা এদেশে দর্শন চর্চার সূত্রপাত করেন।
৭. প্রাচীন বাঙালিদের (অনার্যদের) দর্শনের নাম কী?
উত্তর : লোকায়ত দর্শন বা চার্বাক দর্শন।
৮. লোকায়ত দৰ্শন বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : লোকায়ত দর্শন বলতে বুঝায় জনসাধারণের দর্শন বা জনসাধারণের মধ্যে পরিব্যাপ্তি দর্শন।
৯. লোকায়ত দৰ্শন কোন ধরনের দর্শন।
উত্তর : বস্তুবাদী দর্শন বা জড়বাদী দর্শন।
১০. লোকায়ত দর্শন অনুসারে জ্ঞানের উৎস কী?
উত্তর : লোকায়ত দর্শন অনুসারে জ্ঞানের উৎস প্রত্যক্ষণ।
১১. জ্ঞানতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে লোকায়ত দৰ্শন কোন ধরনের দর্শন?
উত্তর : প্রত্যক্ষণবাদী দর্শন।
১২. আত্মা ও পরকাল সম্পর্কে লোকায়িতদের মত কী?
উত্তর : দেহাতিরিক্ত কোনো আত্মা নেই। পরলোকের ধারণা অবান্তর।
১৩. জগৎ স্রষ্টা সম্পর্কে লোকায়িতদের অভিমত কী?
উত্তর : জগৎ স্রষ্টা বা ঈশ্বর অলীক।
১৪. “ঋণ করে হলেও ঘি খাও” “যতদিন বাঁচ সুখে বাঁচ” প্রভৃতি নীতিবাক্যসমূহের প্রবক্তা কারা।
উত্তর : লোকায়ত বা চার্বাকরা।
১৫. লোকায়ত মতে জীবনের পরম লক্ষ্য বা কাম্য বস্তু কী?
উত্তর : ইহজাগতিক সুখ ভোগই জীবনের পরম লক্ষ্য বা কাম্য বস্তু ।
১৬. বাঙালির দর্শনের প্রাচীন যুগে বজ্রবাদের পরিবর্তে ভাববাদ বা আধ্যাত্মবাদের বিকাশ ঘটে কখন?
উত্তর : আর্যদের আগমনের পর।
১৭. আর্যদের প্রবর্তিত এই দর্শনের নাম কী?
উত্তর : বৈদিক দর্শন।
১৮. বৈদিক দর্শনের উৎস কী?
উত্তর : বৈদিক দর্শনের উৎস হলো বেদ ও উপনিষদ।
১৯. ‘বেদ’ অর্থ কী?
উত্তর : বেদ অর্থ জ্ঞান বা পবিত্র ও পরম জ্ঞান।
২০. ‘বেদ’ কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর : বেদ চার প্রকার। যথাঃ ঋক্‌বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ ও অথর্ববেদ।
২১. বেদের দুটি ভাগের নাম কী?
উত্তর : মন্ত্র ও ব্রাহ্মণ।
২২. বৈদিক সাহিত্য অর্থে বেদকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
উত্তর : চার ভাগে। যথাঃ সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক, উপনিষদ।
২৩. সংহিতার বিষয়বস্তু কী?
উত্তর : গান, স্তোত্র, মন্ত্র প্রভৃতি।
২৪. ব্রাহ্মণ গ্রন্থগুলোর আলোচ্যবিষয় কী?
উত্তর : ব্রাহ্মণ নামে পরিচিত গ্রন্থসমূহের আলোচ্যবিষয় যাগযজ্ঞ।
২৫. কয়েকটি ব্রাহ্মণ গ্রন্থের নাম লিখ।
উত্তর : ঐতরেয় ব্রাহ্মণ, তৈত্তিরীয় ব্রাহ্মণ, কৌষীতকি ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
২৬. আরণ্যক সাহিত্যের বিষয়বস্তু কী?
উত্তর : বিশ্ব রহস্যের সমাধান অন্বেষণ।
২৭. উপনিষদ কী?
উত্তর : উপনিষদ অর্থ কারো নিকটে বসা অর্থাৎ গুরুর নিকট বসে যে বিদ্যা গ্রহণ করা হয় তার নাম উপনিষদ।
২৮. উপনিষদের বিষয়বস্তু কী?
উত্তর : উপনিষদের বিষয়বস্তু হচ্ছে বিশুদ্ধ জ্ঞানের সন্ধান বা দার্শনিক আলোচনা।
২৯. পাঁচটি প্রসিদ্ধ উপনিষদের নাম লিখ।
উত্তর : ঐতরেয়, বৃহদারণ্যক, ছান্দোগ্য, তৈত্তিরীয়, শ্বেতাশ্বতর।
৩০. উপনিষদকে বেদান্ত বলা হয় কেন?
উত্তর : বেদের সর্বশেষ অংশ উপনিষদ বলেই একে বেদান্ত বলা হয়।
৩১. প্রাচীন বাংলার বৈদিক চিন্তার সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটে বেদের কোন অংশে?
উত্তর : বৈদিক চিন্তার সর্বোচ্চ ও পূর্ণবিকাশ ঘটে উপনিষদে।
৩২. উপনিষদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা বেদান্ত দর্শনের মুখ্য আলোচ্যবিষয় কী?
উত্তর : বেদান্ত দর্শনের মুখ্য আলোচ্যবিষয় ব্রহ্ম।
৩৩. বেদান্ত দর্শনের গ্রন্থাত্রয় বলতে কোন তিনটি গ্রহকে বুঝানো হয়।
উত্তর। উপনিষদ, ভগবদ্গীতা ও ব্রহ্মসূত্র।
৩৪. ব্রহ্মসূত্রের রচিয়তা কে?
উত্তর। মহর্ষি বাদরায়ণ।
৩৫. মহর্ষি বাদরায়ণ রচিত ব্রহ্মসূত্রে মোট কতটি সূত্র আছে?
উত্তর : ৫৫৫ টি।
৩৬. প্রাচীন যুগের তিনজন প্রখ্যাত বেদাস্ত দার্শনিকের নাম লিখ।
উত্তর। গৌড়পাদ, শংকর, রামানুজ।
৩৭. বেদান্ত দর্শনের কয়েকটি মতবাদের নাম লিখ।
উত্তর : অদ্বৈতবাদ, বিশিষ্টাদ্বৈতবাদ, শুদ্ধাদ্বৈতবাদ, ভেদাভেদবাদ ইত্যাদি।
৩৮. গৌড়পাদ কোন শতকের দার্শনিক ছিলেন?
উত্তর : ৮ম শতকের (মাক্সমূলারের মতে ৬ষ্ঠ শতকের)।
৩৯. শংকরের অদ্বৈতবাদের মূল কথা কী?
উত্তর : ব্রহ্ম সত্য, জগৎ নয় মিথ্যা এবং জীবই ব্রহ্ম, জগৎ মায়ার সৃষ্টি।
৪০. শংকর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : ৭৮৮ খ্রিস্টাব্দে।
৪১. বিশিষ্টাদ্বৈতবাদের প্রবক্তা কে?
উত্তর : রামানুজ।
৪২. রামানুজ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : ১০১৭ খ্রিস্টাব্দে দাক্ষিণাত্যে জন্মগ্রহণ করেন।
৪৩. রামানুজের বিশিষ্টাদ্বৈতবাদের মূল কথা কী?
উত্তর : ব্রহ্ম বা ঈশ্বরই পরম সত্তা। ব্রহ্মের দুটি অংশ, যথাঃ চিৎ (জীব) ও অচিৎ (প্রকৃতি)। চিৎ এবং অচিৎ অংশ
নিয়েই ব্রহ্ম এক পরম ঐক্য।
৪৪. রামানুজ রচিত তিনটি গ্রন্থের নাম লিখ।
উত্তর : শ্রীভাষ্য, বেদান্তদীপ ও বেদান্ত-সার।
৪৫. শংকরের সর্বশ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি?
উত্তর : শারীরিক ভাষ্য।
৪৬. বেদাঙ্গ কী?
উত্তর : শুদ্ধভাবে বেদ পাঠ করার জন্য যে ছয়টি বিদ্যার প্রয়োজন তা বেদাঙ্গ নামে পরিচিত। এগুলো হলোঃ (১)
শিক্ষা (২) ছন্দ (৩) ব্যাকরণ (৪) নিরুক্ত (৫) জ্যোতিষ ও (৬) কল্প।
৪৭. হিন্দুধর্মের উৎপত্তি কোথা থেকে?
উত্তর: হিন্দুধর্মের উৎপত্তি বেদ থেকে।
৪৮. হিন্দুদের নিকট বেদ কী?
উত্তর : হিন্দুদের নিকট বেদ ‘নিত্য’ ও ‘অপৌরুষেয়’।
৪৯. বেদের অপর নাম কী?
উত্তর : বেদ ঈশ্বরের নিকট থেকে শ্রুত বলে বেদের অপর নাম ‘শ্ৰুতি’।
৫০. বাঙালি দর্শনে প্রভূত প্রভাব বিস্তারকারী হিন্দু দর্শনের উৎপত্তি কোথা থেকে?
উত্তর : উপনিষদের তত্ত্বগুলোর গভীর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ থেকে হিন্দু দর্শনের উৎপত্তি।
৫১. হিন্দু দর্শন কয়টি সম্প্রদায়ে বিভক্ত?
উত্তর : ছয়টি। যথাঃ সাংখ্য, ন্যায়, বৈশেষিক, মীমাংসা, যোগ ও বেদান্ত।
৫২. ‘ষড়দর্শন’ কাকে বলে?
উত্তর : বেদকে প্রামাণ্য হিসেবে ধরে নিয়ে গড়ে উঠা হিন্দু দর্শনের সাংখ্য, যোগ, ন্যায়, বৈশেষিক, মীমাংসা ও
বেদান্ত এ ছয়টি দর্শনকে একত্রে ‘ষড়দর্শন’ বলে।
৫৩. সাংখ্য দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর : মহর্ষি কপিল।
৫৪. যোগ দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর : মহর্ষি পতঞ্জলি।
৫৫. ন্যায় দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর : মহর্ষি গৌতম।
৫৬. বৈশেষিক দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর : মহর্ষি কাশদ।
৫৭. মীমাংসা দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর : মহর্ষি জৈমিনী।
৫৮. বেদান্ত দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর : মহর্ষি বেদব্যাস।
৫৯. বাঙালির দার্শনিক ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে কয়টি চিন্তাধারার সমন্বয়ে এবং সেগুলো কী কী?
উত্তর : ছয়টি। যথা : (১) প্রাক্‌বৈদিক চিন্তাধারা, (২) বৈদিক চিন্তাধারা, (৩) দেশজ মরমী তত্ত্ব, (৪) বেদ বিরোধী
চিন্তাধারা, (৫) ইসলামি চিন্তাধারা এবং (৬) পাশ্চাত্য ধর্ম নিরপেক্ষতা চিন্তাধারা।
৬০. বাঙালির দার্শনিক ঐতিহ্যে বেদ বিরোধ চিন্তাধারার সূত্র কী কী?
উত্তর : চার্বাক বা লোকায়ত দৰ্শন, জৈন দর্শন ও বৌদ্ধ দর্শন।
৬১. জৈন ধর্ম ও দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর : জৈন ধর্ম ও দর্শনের প্রবর্তক মহাবীর।
৬২. কোন সময়ে বাংলায় জৈন ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ করা যায়?
উত্তর : খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীর প্রথমভাগে।
৬৩. বাঙালি দর্শনে প্রভাব বিস্তারকারী উল্লেখযোগ অবৈদিক উপাননসমূহ কী কী?
উত্তর : শৈব মতবাদ, শাক্ত মতবাদ, তন্ত্র ইত্যাদি।
৬৪. তন্ত্র কী?
উত্তর : যে শাস্ত্র অনুযায়ী সাধনা করলে জীবের মোক্ষ বা মুক্তি লাভ হয় সাধারণভাবে তাকেই তন্ত্র বলা হয়।
৬৫. তন্ত্রধর্মের উৎপত্তি কখন?
উত্তর : ড. অতুল সুরের মতে, “বস্তুত তন্ত্রধর্মের উদ্ভব হয়েছিল নবোপলীয় যুগে ভূমি কর্ষণের ব্যাপার নিয়ে।”
অর্থাৎ বেদের উৎপত্তির বহুপূর্বেই তন্ত্রের উৎপত্তি।
৬৬. তান্ত্রিক সাধনার লক্ষ্য কী?
উত্তর : সাধনায় শক্তিমান হওয়া তথা শিবত্ব উপলব্ধি করাই তন্ত্রের লক্ষ্য।
৬৭. তন্ত্রমতে জগৎ কারণ কী?
উত্তর : তন্ত্রমতে নারীই আদ্যাশক্তি বা জগৎ কারণ।
৬৮. প্রাচীন বাংলায় সম্প্রদায় ভেদে তন্ত্রের কয়েকটি রূপ লক্ষ করা যায়?
উত্তর। দুটি রূপ লক্ষ করা যায়। যথা। হিন্দুতন্ত্র ও বৌদ্ধতম।
৬৯. হিন্দুতন্ত্র প্রধানত কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর হিন্দুতন্ত্র প্রধানত ত্রিবিধ। যথা: শৈব, শাক্ত ও বৈষ্ণব।
৭০. কয়েকটি প্রধান হিন্দু তন্ত্র গ্রন্থের নাম লিখ।
উত্তর : সায়দাতিলক, যোগিনীতন্ত্র, তন্ত্রসার, সরস্বতীতন্ত্র প্রভৃতি।
৭১. তন্ত্রশাস্ত্রের প্রধান দু’প্রকার আচরণের নাম কী?
উত্তর : দক্ষিণাচার ও বামাচার।
৭২. প্রাচীন বাংলার তান্ত্রিকেরা মূলত কোন আচরণে অভ্যস্ত ছিল?
উত্তর : প্রাচীন বাংলার তান্ত্রিকেরা মূলত বামাচারেই অভ্যস্ত ছিল।
৭৩. বামাচারীদের আচরণের বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর : বামাচারীদের বেদ বিরোধী, মদ, মাংস, মাছ, তাদের নিষিদ্ধ নয়, নারীসঙ্গ তাদের সাধনার অঙ্গ।
৭৪. বাংলায় বৌদ্ধতন্ত্র প্রবর্তনের কারণ কী?
উত্তর : বাংলায় একসময় বৌদ্ধধর্ম হীনবল হয়ে পড়লে জনসাধারণের মধ্যে বৌদ্ধধর্মকে জনপ্রিয় করে তোলার
জন্যই বৌদ্ধরা তন্ত্রধর্মের প্রবর্তন করেন।
৭৫. প্রাচীন বাংলায় তান্ত্রিক বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কোন শাখা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিল।
উত্তর : বজ্রযানতান্ত্রিক বৌদ্ধ সম্প্রদায়।
৭৬. বজ্রযান বৌদ্ধতান্ত্রিক সম্প্রদায়ের শাখা কয়টি ও কী কী?
উত্তর : দুটি। যথা : কালযান ও সহজযান।
৭৭. সহজযান নামক সম্প্রদায়ের প্রবর্তক কে ছিলেন।
উত্তর : লুইপা নামক একজন বাঙালি।
৭৮. কোন বাঙালি পণ্ডিত তিব্বতে তান্ত্রিক বৌদ্ধমত প্রচার করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।
উত্তর : অতীশ দীপংকর শ্রীজ্ঞান।
৭৯. বৌদ্ধতন্ত্র গ্রন্থের প্রথম নাম কী?
উত্তর : গুহা সমাজতন্ত্র।
৮০. এই গ্রন্থটি কোন শতকে কে রচনা করেন।
উত্তর : খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকে অসঙ্গ গ্রন্থটি রচনা করেন।
৮১. কয়েকটি বৌদ্ধতন্ত্র গ্রন্থের নাম লিখ।
উত্তর : হেবজ্র, বারাহীকল্প, মরীচিতন্ত্র, ক্রিয়াসার প্রভৃতি।
৮২ বজ্রযানতন্ত্রকে কোন ধর্মমত বলা হয়ে থাকে?
উত্তর : সহজযান বা সহজিয়া ধর্মমত ।
৮৩. সহজিয়া পথে নির্বাণ লাভের উপায় কী?
উত্তর : সহজিয়া পথে নির্বাণ লাভের উপায় হলো গুরুর উপদেশ মেনে চলা এবং সহজ পথে সাধনা করা।
৮৪. “দেহভাবই হচ্ছে ক্ষুদ্রাকৃতি ব্রহ্মাণ্ড” এ মতটি কাদের?
উত্তর : সহজিয়া ধর্ম মতের।
৮৫. শৈব মতের মূল কথা কী?
উত্তর : শৈব মতে শিবই প্রধান। চরমসত্তা বা শিব একই সঙ্গে বিশ্বময় ও বিশ্বাতীত।
৮৬. প্রাচীন ভারতে শৈব সাধনার সূত্রপাত ঘটেছিল কোন যুগে।
উত্তর : প্রাকবৈদিক যুগে।
৮৭. প্রাচীন বাংলায় শৈব ধর্মের প্রসার ঘটে কখন?
উত্তর : গুপ্ত ও গুপ্তোত্তর যুগে (খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০ অব্দ থেকে ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ) বাংলায় শৈব ধর্মের সূত্রপাত ঘটলেও সেন
রাজাদের আমলে এদেশে শৈব ধর্মের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটে।
৮৮. শিব কোন ধারার দেবতা?
উত্তর : শিব অবৈদিক দেবতা।
৮৯. শাক্ত মতে সর্বোচ্চ দেবতা কে?
উত্তর : শাক্ত মতে সর্বোচ্চ দেবতা হলেন একজন নারী যিনি নানা রূপে নানা নামে কল্পিতা।
৯০. বাঙালিদের মধ্যে শাক্ত ধর্ম ব্যাপক প্রসার লাভ করে কবে?
উত্তর : শাক্ত ধর্মের উদ্ভব প্রাক্‌বৈদিক যুগে হলেও বাংলায় শাক্ত ধর্মের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটে সপ্তদশ শতকে।
৯১. বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে আজও প্রচলিত আছে এমন কয়েকটি শাক্ত পূজা বা দেবীর নাম লিখ?
উত্তর : দুর্গা পূজা, কালী পূজা, মনসা পূজা, সরস্বতী পূজা প্রভৃতি।
৯২. বাংলায় বৈদিক ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রচার ও প্রতিষ্ঠা লাভ করে কোন যুগে?
উত্তর : প্রাক্ গুপ্তযুগে।
৯৩. প্রাচীন বাংলার কোন দার্শনিক দর্শন চর্চায় সর্বভারতীয় খ্যাতি অর্জন করেছিলেন?
উত্তর : শ্রীধর ভট্ট।
৯৪. শ্রীধর ভট্ট রচিত তিনটি দার্শনিক গ্রন্থের নাম লিখ।
উত্তর : ন্যায় কন্দলী, অন্বয় সিন্ধি ও তত্ত্ববোধ।
৯৫. খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকে সংস্কৃতি ভাষায় দর্শন চর্চা করে বিশেষ কীর্তি স্থাপন করেছিলেন এমন কয়েকজন বাঙালি
দার্শনিকের নাম লিখ।
উত্তর : চন্দ্রগোমী, জিতেন্দ্রবোধি, গোবর্ধন, দামোদর, হলায়ুদ প্রমুখ।
৯৬. বাঙালির চিন্তা চেতনা তথা দর্শনে ধর্মের প্রভাব পরিলক্ষিত হয় কোন যুগে?
উত্তর : মধ্যযুগে।
৯৭. মধ্যযুগে ধর্ম প্রভাবিত বাঙালি দর্শনের নিদর্শন কোনগুলো?
উত্তর : বৈষ্ণব দর্শন, বাউল দর্শন, ভক্তি দর্শন, সহজিয়া দর্শন, সুফি দর্শন প্রভৃতি।
৯৮. বাঙালির দর্শন বিকাশে কোন কোন ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য?
উত্তর : বৈদিক ধর্ম, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, জৈন ধর্ম, ইসলাম ধর্ম প্রভৃতি।
৯৯. অতি প্রাচীনকালে বাঙালির ধর্মের স্বরূপ কী ছিল?
উত্তর : অতি প্রাচীনকালে বাঙালির ধর্ম ছিল প্রকৃতি নির্ভর। অর্থাৎ তখন তারা প্রকৃতির বিভিন্ন শক্তির পূজা করত।
১০০. কোন দর্শনসমূহকে বাঙালির নিজস্ব দর্শন বলা হয়?
উত্তর : বৈষ্ণব দর্শন, বাউল দর্শন, ভক্তি দর্শন, সহজিয়া দর্শন, সুফি দর্শন বাঙালির নিজস্ব দর্শন।
১০১. বাঙালির দর্শনের তিনটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য লিখ?
উত্তর : (ক) প্রাচীনকালে বাঙালির দর্শন ছিল নৈসর্গবাদী, প্রকৃতিবাদী বা জড়াবাদী (খ) বাঙালির দর্শন ধর্ম প্রভাবিত
ও (গ) বাঙালির দর্শন সমন্বয়ধর্মী।
১০২ বাংলায় বৌদ্ধধর্মের প্রবেশ ও প্রসার ঘটে কখন?
উত্তর : খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে।
১০৩. বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক কে?
উত্তর : গৌতম বুদ্ধ।
১০৪. গৌতম বুদ্ধ কবে কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : খ্রিস্টপূর্ব ৫৬৩ অব্দে কপিলাবস্তু নগরে।
১০৫, গৌতম বুদ্ধের আদি নাম কী?
উত্তর : সিদ্ধার্থ।
১০৬. গৌতম বুদ্ধ যে স্থানে বসে সাধনা করেছিলেন তার নাম কী?
উত্তর : বুদ্ধগয়া ।
১০৭. গৌতম বুদ্ধ যে বৃক্ষের নিচে বসে যোধি লাভ করেন তার নাম কী?
উত্তর : বোধি দ্রুম।
১০৮. বৌদ্ধধর্মের মূলমন্ত্র কী?
উত্তর : জরা-মৃত্যু ও দ্বাদশ নিধান বা ভবচক্র থেকে নির্বাণ লাভ করাই বৌদ্ধধর্মের মূলমন্ত্র।
১০৯. গৌতম বুদ্ধ কত সালে তিরোধান করেন?
উত্তর : খ্রিস্টপূর্ব ৪৮৩ অব্দে।
১১০. বুদ্ধের তিরোধানকে তাঁর অনুসারিরা কী নামে অভিহিত করেন?
উত্তর : মহাপরিনির্বাণ।
১১১. নির্বাণ কী?
উত্তর : মানুষের চরম মুক্তি বা সব রকম দুঃখের নিরোধই নির্বাণ।
১১২. গৌতম বুদ্ধের পিতা ও মাতার নাম কী?
উত্তর : পিতার নাম শুদ্ধোধন এবং মাতার নাম মায়াদেবী।
১১৩. বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনের মূল উৎস কী?
উত্তর : বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনের মূল উৎস হচ্ছে বুদ্ধের বাণী ও উপদেশ।
১১৪. বৌদ্ধ ধর্মের ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর : ত্রিপিটক (ত্রিপিটক মানে তিনটি পিটক)।
১১৫. ত্রিপিটকের তিনটি পিটকের নাম কী?
উত্তর : বিনয় পিটক, সুত্তপিটক, অভিধখ পিটক।
১১৬. পিটক আসলে কী?
উত্তর : বুদ্ধের মৃত্যুর পর তাঁর উপদেশ ও বাণী সংরক্ষণের প্রয়োজন থেকে তাঁর শিষ্যরা এগুলোকে গ্রন্থাকারে
লিপিবদ্ধ করেন পালি ভাষায়; এসব গ্রন্থকে বলা হয় পিটক।
১১৭. বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনের প্রধান দুটি সম্প্রদায়ের নাম কী?
উত্তর : হীনযান সম্প্রদায় ও মহাযান সম্প্রদায়।
১১৮. হীনযান ও মহাযান সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর : হীনযান সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থের নাম ত্রিপিটক (পালি ভাষায় রচিত) এবং মহাযান সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থের নাম
মহাযান সূত্র (সংস্কৃতি ভাষায় রচিত)।
১১৯. চারটি আর্য সত্য কী?
উত্তর : দুঃখ ও দুঃখনিরোধ সম্পর্কে বুদ্ধ যে আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা লাভ করেন তা তিনি চারটি সত্যের আকারে
প্রকাশ করেন যা বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনে চারটি আর্য সত্য নামে সমধিক পরিচিত।
১২০, আর্য সত্য চারটি কী কী?
উত্তর : চারটি আর্যসত্য হলো : (ক) দুঃখ আছে, অর্থাৎ এজগতের সবকিছু দুঃখময় (খ) দুঃখ সমুদয় বা দুঃখ
উদ্ভবের কারণ আছে (গ) দুঃখ নিরোধ বা দুঃখ নিবৃত্তি আছে (ঘ) দুঃখ নিরোধ মার্গ বা দুঃখ নিরোধের উপায় আছে।
১২১, বৌদ্ধ দর্শন অনুসারে দুঃখের কারণ কী?
উত্তর। দুঃখের কারণ হলো অবিদ্যা।
১২২ দশ নিদান ক
উত্তর । বৌদ্ধ দর্শনে দুঃখের কার্যকারণ শৃঙ্খলে মোট বারোটি কারণ বা নিদান আছে, এই কার্যকারণ শৃঙ্খলই বৌদ্ধ
দর্শনে দ্বাদশ নিদান বা ভবচক নামে পরিচিত।
১২৩ অষ্টাঙ্গিক মার্গ কী?
উত্তর
বৃত্তি | বিনাশের মাধ্যমে চিরযুক্তি লাভ করার জন্য বুদ্ধ যে পথ বা মার্গ নির্দেশ করেছেন ভাই বৌদ্ধ
দর্শনে ‘অষ্টানিক মাগ’ নামে পরিচিত।
১২৪, অধানিক মার্গের আটটি মার্গ কী কী?
উত্তর। আটটি মার্গ হলো। (১) সম্যক দৃষ্টি (2) সস (9) সম্যক বাক্‌ (1) সম
আজীব (৬) সমাস প্রচেষ্টা (৭) সম্যক স্মৃতি (৮) সম্যক সমাগি।
১২৫, হীনযান দার্শনিক সম্প্রদায়ের মূল বক্তব্য কী?
উত্তর হীনযান শব্দের অর্থ হলো ক্ষুদ্রযান। এমতে, প্রত্যেক ব্যক্তি তাঁর নিজের মুক্তির জন্য চেষ্টা করলে অপরের
মুক্তির কোনো দায়দায়িত্ব তার নেই।
১২৬. মহাযান সম্প্রদায়ের মূল বক্তব্য কী?
উত্তর। মহাযান শব্দের অর্থ হলো সর্বমানুষের যান। এ মতে, কেবল নিজের মুক্তির জন্য সাধনা করা স্বার্থপরতা
ছাড়া কিছুই নয়, বৌদ্ধদের কর্তব্য হলো সর্বমানুষের মুক্তির জন্য সাধন করা।
১২৭, বুদ্ধ দেবের কোন উপদেশকে মহাযান সম্প্রদায় তাদের মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করে?
উত্তর : সর্বজীবে দয়া কর।
১২৮, প্রাচীন বাংলায় কোন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়।
উত্তর। প্রাচীন বাংলায় প্রথম পর্যায়ে হীনযান সম্প্রদায়ের দর্শনের প্রভাব ছিল প্রবল, কিন্তু পরবর্তীকালে মহাযান বুদ্ধ
দর্শন প্রবল প্রভাব বিস্তার করে।
১২৯. প্রাচীন বাঙালির দর্শন চিন্তায় বৌদ্ধ প্রভাবের সর্বপ্রথম স্মারক কী?
উত্তর। পণ্ডিত শীলভদ্রের বুদ্ধ সাধনা।
১৩০, প্রাচীন বাংলার কয়েকটি বৌদ্ধধর্ম, দর্শন ও ন্যায়শাস্ত্র শিক্ষাকেন্দ্রের নাম লিখ।
উত্তর । ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার, মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর মহাবিহার, বিক্রমপুর বিহার, সুবর্ণ নিহার ইত্যাদি
১৩১. প্রাচীন বাংলায় বুদ্ধের কোন বাণী বাঙালি দর্শনে মানবতাবাদের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করে?
উত্তর। “সব্বে সত্তা সুখিতা হয়”- “জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক।”
১৩২. মধ্যযুগে বাংলায় বৌদ্ধ মহাযানী দর্শনের মূল সূত্রসমূহের সন্ধান পাওয়া যায় কোথায়?
উত্তর। মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাবো।
১৩৩, প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলায় কোন কোন দর্শন ও ধর্ম মতে বৌদ্ধ প্রভাব সুস্পষ্ট?
উত্তর : কৌলধর্ম, নাথ ধর্ম, সহজিয়া ধৰ্ম, বৈষ্ণব ধৰ্ম, চৈতন্যবাদ ও বাউল দর্শন ও সুফিদর্শনে
১৩৪, প্রাচীন বাংলায় বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন চর্চার সুস্পষ্ট নিদর্শন পাওয়া যায় কোথায়?
উত্তর। চর্যাপদে।
১৩৫, বাংলার সুফিরা বৌদ্ধ দর্শনের কোন কোন তত্ত্ব দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন?
উত্তর শূন্যতত্ত্ব ও দেহতত্ত্ব।
১৩৬. বাংলায় বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শন প্রচার ও প্রসারের সর্বশ্রেষ্ঠ সময় কোনটি?
উত্তর : পাল রাজাদের চারশত বছরের রাজত্বকাল।
১৩৭. মাধ্যমিক ও যোগাচার দার্শনিক সম্প্রদায় কোন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর : মহাযান বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের।
১৩৮. কত বছর বয়সে সিদ্ধার্থ বা গৌতম বুদ্ধ বোধি লাভ করেন?
উত্তর : ৩৫ বছর বয়সে।
১৩৯, আর্যরা কোন অঞ্চলের ভাষাকে ‘অসুর ভাষা’ বলত?
উত্তর : গৌড়, পুণ্ড্র, সমতট, হরিকেল, জনপথ তথা বাংলা অঞ্চলের ভাষাকে আর্যরা ‘অসুর ভাষা’ বলত।
১৪০. ‘ঐতরেয় ব্রাহ্মণে’ প্রাচীন বাংলার জনগোষ্ঠীকে কী নামে অভিহিত করা হয়েছে?
উত্তর : ‘দস্যু’।
১৪১. ঐতরেয় আরণ্যকে বঙ্গ অঞ্চলের ভাষাকে কী নামে অভিহিত করা হয়েছে?
উত্তর : পাখির ভাষা।
১৪২. সপ্তশতকে প্রাচীন বাংলায় বৌদ্ধ দর্শন চর্চায় বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছিলেন এমন তিনজন বাঙালি দার্শনিকের নাম লিখ?
উত্তর : শীলভদ্র, আচার্য চন্দ্রগোমী এবং ভিক্ষু শ্যযণ রাণ্যল।
১৪৩. আচার্য চন্দ্ৰগোমী কোথাকার অধিবাসী ছিলেন?
উত্তর : চন্দ্রগোমী বরেন্দ্রের অধিবাসী ছিলেন।
১৪৪. কোন রচনাকে চন্দ্রগোমীর অমর কীর্তি হিসেবে গণ্য করা হয়?
উত্তর : চান্দ্র ব্যাকরণ।
১৪৫. প্রাচীন বাংলায় এসে বুদ্ধিবাদী বিজ্ঞানভিত্তিক বৌদ্ধধর্ম কী রূপ লাভ করে?
উত্তর : তীক্ষ্ণ যুক্তিবাদী নৈর্ব্যক্তিক বৌদ্ধদর্শন প্রাচীন বাংলার জলমাটিতে এসে ভাববাদী রূপ লাভ করে।
১৪৬. প্রাচীন বাংলায় এসে বৌদ্ধ ধর্মমত কোন দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে পড়ে?
উত্তর : বজ্রযান ও কালচক্রযান।
১৪৭. বজ্রযানীদের মতে নির্বাণের তিনটি অবস্থা কী কী?
উত্তর : শূন্য, বিজ্ঞান ও মহাসুখ।
১৪৮. বজ্রযানীর মতে মহাসুখ কী?
উত্তর : প্রকৃতি ও পুরুষ অর্থাৎ নর ও নারীর মিলনে যে পরমান্দময় অবস্থা তাই মহাসুখ।
১৪৯. প্রাচীন বাংলায় বৌদ্ধতান্ত্রিক আর্যদের আবির্ভাব ঘটে কখন?
উত্তর : অষ্টম থেকে একাদশ শতকের মধ্যে।
১৫০. এসব বৌদ্ধতান্ত্রিক আচার্যরা বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনের কোন শাখায় তাদের সাধনা নিবন্ধ করেছিলেন?
উত্তর : বৌদ্ধ মহাযান সম্প্রদায়ের বজ্রযান, সহজযান ও কালচক্রযান প্রভৃতি মতবাদ ও দর্শনে।
১৫১. প্রাচীন বাংলার প্রকৃত বাঙালির দর্শন চিন্তার সর্বপ্রথম প্রমাণ পাওয়া যায় কোথায়?
উত্তর : দোহাকোষ ও চর্যাপদে।
১৫২. প্রাচীন ও মধ্যযুগের কয়েকজন বাঙালি হিন্দু দার্শনিকের নাম লিখ?
উত্তর : জয়দেব, বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, শ্রীচৈতন্যদেব প্রমুখ।

খ-বিভাগ

প্রশ্না।।১।। বাঙালির দর্শন কী?
প্রশ্ন।।২।। প্রাচীন যুগের বাঙালি দর্শন সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্না।।৩।। মধ্যযুগের বাঙালি দর্শন সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্না।।৪।। প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাঙালি দর্শনের মূল বৈশিষ্ট্য বিবৃত কর।
প্রশ্না।।৫।। বাঙালি দর্শনের ক্রমবিকাশ সংক্ষেপে বর্ণনা কর।
প্রশ্ন।।৬।। বাঙালি দর্শনের গতিপ্রকৃতি সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।৭।। বাঙালি দর্শনকে প্রকৃত দর্শন বলা হয় কেন?
প্রশ্ন।।৮।। বাঙালি দর্শনের বৈশিষ্ট্য সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।৯।। বাঙালি দর্শনের দার্শনিক ঐতিহ্য সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।১০।। বাঙালির ধর্ম ও সংস্কৃতি দার্শনিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।১১।৷ বাঙালি দর্শনকে কী সমন্বয়ধর্মী বলা যায়?
প্রশ্ন।।১২॥ বাঙালি দর্শনের স্বরূপ সংক্ষেপে বর্ণনা কর।
প্রশ্ন।।১৩।। বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় সংক্ষেপে বর্ণনা কর।
প্রশ্ন৷।১৪।৷ বাঙালি দর্শনের উপর ধর্মের প্রভাব কতটুকু?
প্রশ্ন।।১৫।। বাঙালি দর্শনে প্রভাব বিস্তারকারী তন্ত্রবাদ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷।।১৬।। বাঙালি দর্শনে প্রভাব বিস্তারকারী শৈব মতবাদ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।১৭।। বাঙালি দর্শনে প্রভাব বিস্তারকারী অবৈদিক শাক্ত মতবাদ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷।১৮।৷ বাঙালি দর্শনের বিকাশে পুরাণের ভূমিকা সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।১৯।৷ প্রাচীন যুগের বাঙালি দার্শনিকদের দর্শনতত্ত্ব সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷।২০৷। আধুনিক যুগের বাঙালি দর্শন সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর ।
প্রশ্ন।।২১।৷ বাঙালি দর্শনে বেদের প্রভাব সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।২২।। বাঙালি দর্শনে মহাভারতের প্রভাব কীরূপ?
প্রশ্ন।৷২৩৷৷ বাঙালি দর্শনে গীতার ভূমিকা কী?
প্রশ্ন।।২৪।। বাঙালি দর্শনে কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রের প্রভাব সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।২৫।। বাঙালি দর্শনে মনুসংহিতার অবদান/প্রভাব সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।২৬।। বাঙালি দর্শনে উপনিষদের প্রভাব সংক্ষেপে আলোচনা কর ।
প্রশ্না।।২৭৷। “বাংলা ও বাঙালি” প্রত্যয় দুটি ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন৷ ২৮।৷ বৌদ্ধদর্শনের প্রভাবশালী ধারা কয়টি ও কী কী?
প্রশ্ন।৷২৯।৷ বাঙালি দর্শনের উপর বৌদ্ধদর্শনের প্রভাব সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।৩০।। বাঙালি দর্শনের প্রয়োজনীয়তা সংক্ষেপে বর্ণনা কর।
প্রশ্ন৷।৩১।৷ বাঙালি দর্শনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ কী কী?
প্রশ্ন। ৩২।। বাঙালি দর্শনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ খণ্ডন করা যায় কী?
প্রশ্ন।।৩৩।। বাঙালি দর্শনের উপর হিন্দুধর্মের প্রভাব আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।৩৪।। বাঙালি দর্শনের উপর জৈনধর্মের প্রভাব সংক্ষেপে লিখ।
প্রশ্ন।।৩৫।। বাঙালি দর্শনের উপর বৌদ্ধধর্মের প্রভাব সংক্ষেপে লিখ।
প্রশ্ন।।৩৬।। বাঙালি দর্শনের উপর ইসলাম ধর্মের প্রভাব সংক্ষেপে লিখ।

গ-বিভাগ

প্রশ্ন।।১।। বাঙালি দর্শনের সংজ্ঞা দাও । বাঙালি দর্শনের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
প্রশ্না।।২।। বাঙালি দর্শন কী? বাঙালি দর্শনের স্বরূপ আলোচনা কর। এটা কি প্রকৃত অর্থে দর্শন?
প্রশ্না।।৩।। বাঙালি দর্শনের বিষয়বস্তু আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৪॥ বাঙালি দর্শন কাকে বলে? এর বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৫॥ বাঙালি দর্শন বলতে কী বুঝায়? বাঙালি দর্শনের প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা কর।
প্রশ্না।।৬।। বাঙালি দর্শনের বিভিন্ন ধারা আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৭॥ বাঙালি দর্শন বলতে কী বুঝায়? বাঙালি দর্শনের ঐতিহ্যের বিবরণ দাও।
প্রশ্ন॥৮॥ বাঙালি দর্শনের সংজ্ঞা দাও। এ দর্শন কী সমন্বয়বাদী?
অথবা, বাঙালি দর্শনের সমস্বয়বাদী দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা কর।

প্রশ্ন।।৯।। বাঙালি দর্শনের গতিপ্রকৃতি আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।১০।। বাঙালির মনন সাধনার বৈশিষ্ট্যের বিস্তারিত বিবরণ দাও।
প্রশ্ন॥১১।৷ বাঙালি দর্শনের আলোকে ‘বাংলা ও বাঙালি’ প্রত্যয়গুলো বিশ্লেষণ কর।
প্রশ্ন।।১২।। বাঙালির ধর্ম ও সংস্কৃতি সম্পর্কে যা জান লিখ।
প্রশ্ন॥১৩৷। বাঙালি দর্শনে বেদের প্রভাব আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।১৪॥ বাঙালি দর্শনে উপনিষদের প্রভাব আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥১৫।। বাঙালি দর্শনে রামায়ণের প্রভাব আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥১৬।। বাঙালি দর্শনে মহাভারতের প্রভাব আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।১৭।। বাঙালি দর্শনে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার প্রভাব আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।১৮।।বাঙালি দর্শনে মনুসংহিতার প্রভাব মূল্যায়ন কর।
প্রশ্ন।।১৯।। বাঙালি দর্শনের বিকাশে পুরাণের ভূমিকা আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।২০।।বাঙালি দর্শনে কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রের প্রভাব আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।২১।। বাঙালি জাতির উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।২২।। বাঙালি দর্শন বলতে কী বুঝ? মধ্যযুগীয় বাঙালি দর্শনের প্রকৃতি আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।২৩।। বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় দাও।
প্রশ্ন৷।২৪।।বাঙালি দর্শনের উপর ধর্মের প্রভাব কতটুকু? আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷।২৫।৷ বাঙালি দর্শনে যেসব অবৈদিক উপাদান প্রভাব বিস্তার করে রয়েছে সে সম্পর্কে আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷।২৬॥ বাঙালি দর্শন কী? প্রাচীন যুগের বাঙালি দার্শনিকদের দর্শনতত্ত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷।২৭।৷ বৌদ্ধদর্শনের প্রভাবশালী ধারা কয়টি ও কী কী? বাঙালি দর্শনে বৌদ্ধদর্শনের প্রভাব আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷।২৮॥ বাঙালি দর্শনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ আলোচনা কর। এগুলো খণ্ডন করা যায় কী?
প্রশ্ন৷।২৯।৷ বাঙালি দর্শন কী? বাঙালি দর্শন কী প্রকৃত দর্শন? আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷।৩০।৷ বাঙালি দর্শন কী? সনাতন ধর্মের কোন কোন গ্রন্থ বাঙালি দর্শন বিকাশে প্রভাব বিস্তার করেছে এবং কিভাবে? আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷।৩১।৷ বিভিন্ন ধর্ম কিভাবে বাঙালি দর্শনকে প্রভাবিত করেছে। আলোচনা কর।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!