ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

পুঁইমাচা :গল্প, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ক-বিভাগ

বাংলা সাহিত্যে মানুষের সুখ-দুঃখ এবং প্রকৃতির রঙ-রূপ চিত্রণে বিশেষত্ব কবি কে?
উত্তর : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ।
বিভূতিভূষণ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : চব্বিশ পরগনা জেলার ব্যারাকপুরে।
বিভূতিভূষণ কখন জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর : ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর।
মৃত্যুবরণ করেন কত সালে?
উত্তর : ১৯৫০ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
বিভূতিভূষণের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস কোনটি?
উত্তর : ‘পথের পাঁচালী’ ।
‘পুঁই মাচা’ গল্পের প্রধান প্রধান চরিত্রের নাম লেখ।
উত্তর : সহায়হরি, অন্নপূর্ণা, ক্ষেন্তি, লক্ষ্মী, পুঁটি, রাধী।
সহায়হরি উঠানে পা দিয়েই তার স্ত্রীকে কী দিতে বলে?
উত্তর : একটা বড় বাটি কি ঘটি।
অন্নপূর্ণা শীতকালে সকালবেলা রান্নাঘরের দাওয়ায় বসে কী করছিলেন?
উত্তর : নারকেল তেলের বোতল হতে ঝাঁটার কাটি দিয়ে তেল বের করছিলেন।
অন্নপূর্ণা শান্ত সুরে কার মনে ভীতির সঞ্চার করে?
উত্তর : সহায়হরি।
চৌধুরী বাড়িতে সহায়হরিদের সম্পর্কে কী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়?
উত্তর : তাদের একঘরে করা হবে।
কোথায় ঘুরলেই ভদ্দরলোকের গাঁয়ে বাস করা যায় না?
উত্তর : বাগ্দী দুলে পাড়ায় ।
ক্ষেন্তির বয়স কত বলে তার মা উল্লেখ করে?
উত্তর : পনেরো বছর।
ক্ষেন্তি বাইরে থেকে ছোটবোনদের সাথে নিয়ে কী নিয়ে আসে?
উত্তর : পুঁই শাক ।
ক্ষেন্তির কাচের চুড়িতে ব্যবহৃত সেপটিপিনগুলোর দাম কত?
উত্তর : দু’ডজন পয়সা।
ক্ষেন্তি গয়া বুড়ীর নিকট থেকে কী নিয়ে আসে?
উত্তর : চিংড়ী মাছ।
ক্ষেন্তি পুঁই শাকগুলো কার নিকট থেকে নিয়ে আসে?
উত্তর : রায় কাকার নিকট থেকে।
পুঁই শাকের ডাটা কে ফেলে দিয়ে আসতে বলে ক্ষেন্তিকে?
উত্তর : তার মা অন্নপূর্ণা।
পুঁই শাকের চুপি চুপি আবার কে নিয়ে আসেন?
উত্তর : অন্নপূর্ণা ।
ক্ষেন্তি দুপুরবেলা কী দেখে আশ্চর্য হলো?
উত্তর : তার পাতে পুঁই শাকের চচ্চড়ি দেখে।
বৈকালবেলা সহায়হরির কোথায় ডাক পড়ে?
উত্তর : কালীময়ের চণ্ডীমণ্ডপে।
কালীময় কার সাথে ক্ষেন্তির বিয়ে ঠিক করেছিলো?
উত্তর : শ্রীমন্ত মজুমদারের ছেলের সাথে ।
শ্রীমন্ত মজুমদারের ছেলের সাথে ক্ষেন্তির বাবা-মা কেন বিয়ে ভেঙে দেয়?
উত্তর : পাত্রটি গ্রামে কী একটা করতে গিয়ে বেদম-প্রহার খেয়ে শয্যাগত হওয়ার কারণে।
অন্নপূর্ণার ভাষ্যানুসারে পুঁই ডাটার চারা কখন পুততে হয়?
উত্তর : বর্ষাকালে ।
কলার পাতার উপর নারকেল কোরে কে?
উত্তর : ক্ষেন্তি।
সহায়হরি/অন্নপূর্ণা ছোট মেয়ের নাম কী?
উত্তর : লক্ষ্মী।
সহায়হরি/অন্নপূর্ণা মেজো মেয়ের নাম কী?
উত্তর : পুঁটি।
সহায়হরি/অন্নপূর্ণা সেজো মেয়ের নাম কী?
উত্তর : রাধী।
সহায়হরি/অন্নপূর্ণা বড় মেয়ের নাম কী?
উত্তর : ক্ষেন্তি।
‘পুঁই মাচা’ গল্পে কোন কোন ব্রাহ্মণের নাম আছে?
উত্তর : সুরেশ কাকা এবং তিনুর বাবা।
ক্ষেন্তি কম করে হলেও কতটি পিঠা খায়?
উত্তর : আঠারো ঊনিশখানা।
ক্ষেন্তির কোন সময়ে বিয়ে হয়েছিলো?
উত্তর : বৈশাখ মাসের প্রথমে।
কার ঘটকালিতে ক্ষেন্তির বিয়ে হয়েছিলো?
উত্তর : সহায়হরির এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের ঘটকালিতে।
ক্ষেন্তির যার সাথে বিয়ে হয়েছিলো তার বয়স কত হবে?
উত্তর : চল্লিশের কাছাকাছি ।
ক্ষেন্তির সাথে যার বিয়ে হয়েছিলো, সে চুন ও ইটের ব্যবসা করতো কোথায়?
উত্তর : সিলেটে।
বিয়ের সময় বেহারারা সুবিধা করার জন্য পালকি কোথায় নামিয়েছিলো?
উত্তর : আমলকিতলায় ।
কোন সময় উঠানের মাচায় রৌদ্রে আমসত্ত্ব তুলতে গিয়ে অন্নপূর্ণার মন হু হু করতো?
উত্তর : ফাল্গুন-চৈত্র মাসে ।
বেড়ার ধারে কোন ফুল ফুটেছিলো?
উত্তর : মেঁদিফুল।
সহায়হরির প্রতিবেশী কে?
উত্তর : বিষ্ণু সরকার।
সহায়হরি বিষ্ণু সরকারের সাথে কোন সময়ে কথা বলছিলেন?
উত্তর : বর্ষাকালে-আষাঢ় মাসে।
ক্ষেন্তির বিয়েতে যৌতুকের কত টাকা বাকি ছিল?
উত্তর : আন্দাজ আড়াইশো টাকা ।
সহায়হরি পুজোর তত্ত্ব হিসেবে কত টাকা খরচ করেছিলো?
উত্তর : ত্রিশ টাকার কম হবে না।
ক্ষেন্তি কোন রোগে মারা যায়?
উত্তর : বসন্ত রোগে।
সহায়হরির কোন পূর্ব পুরুষের নামে নীলকুঠি আমলে বাঘ-মহিষে এক ঘাটে জল খেতো?
উত্তর: পুরমেশ্বর চাটুয্যের নামে।
কোন মাসে ক্ষেন্তির বসস্ত হয়েছিলো?
উত্তর : ফাল্গুন মাসে।
ক্ষেপ্তির গায়ে বসস্ত বের হলে তার স্বামী তাকে কোথায় ফেলে রেখে গিয়েছিলো?
উত্তর : টালায় সহায়হরির এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়র কাছে।
ক্ষেস্তির গয়নাগুলো কী হয়েছিল?
উত্তর: অসুস্থ অবস্থাতেই তার গা থেকে তার স্বামীর বাড়ির লোকজন খুলে নিয়েছিলো।
লোকেরা কী কথা বলাবলি করছিলো?
উত্তর: এমন শীত তারা আর কখনও দেখিনি।
রান্নাঘরে বসে সন্ধ্যার সময় অন্নপূর্ণা কোন পিঠা তৈরি করছিলো?
উত্তর : চাকলি পিঠা।
তৈরি করা চাকলি পিঠার প্রথমটা অন্নপূর্ণা কী করে?
উত্তর : কাঁনাচে ধাঁড়া-ষষ্ঠীকে ফেলে দেবার জন্য তার মেয়েদের হাতে দেয়।
উনুনের পাশে আগুন পোহাইছিলে কে কে?
উত্তর : পুঁটি এবং রাধী।
কোথায় জ্যোৎস্না আটকিয়ে ছিলো?
উত্তর : তেলাকুচা লতার থলো থলো সাদা ফুলের মধ্যে।
পুঁটি-রাধী পিঠাটি কোথায় ফেলে দিয়ে আসে?
উত্তর : গত বছর অন্নপূর্ণা যেখান থেকে নেবুর চারা তুলে এনেছিলো।
কোন বস্তুকে কেন্দ্র করে অন্নপূর্ণা, পুঁটি এবং রাধীকার মনে ক্ষেন্তির স্মৃতি আবার তীব্রভাবে জেগে উঠে?
উত্তর : ক্ষেন্তির লাগানো পুঁই শাকের গাছটিকে কেন্দ্র করে।
অন্নপূর্ণার কোন মেয়েটি বেশি ভোজনপটু ছিলো?
উত্তর : ক্ষেন্তি।
ঘন ঝোপের মধ্য দিয়ে কী ছুটে চলে যায়?
উত্তর : শিয়াল।
বাড়ির পিছনে জ্যোৎস্নার আলোয় কোন পাখি ঠক ঠক শব্দ করে?
উত্তর : কাঠঠোকরা।
“সুপুষ্ট নধর প্রবর্ধমান জীবনের লাবণ্যে ভরপুর।”- কোন গল্পের উদ্ধৃতি।
উত্তর : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দুই মাচা’ গল্পের।
একঘরে কী?
উত্তর : সমাজ থেকে বহিষ্কার করা।
গয়া বুড়ী?
উত্তর : গয়া নাম্নী এক বৃদ্ধ বান্ধী যার পেশা মাছ বিক্রি করা।
শ্ৰোত্ৰিয় কী?
উত্তর : হিন্দুদের একটি গোত্রের নাম।
কুরুনী কী?
উত্তর : নারকেল কোরাতে যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।

খ-বিভাগ

প্রশ্ন।১।গল্পকার হিসেবে বিভূতিভূষণের পরিচয় দাও।
প্ৰশ্ন॥২॥ ‘পুঁই মাচা’ গল্পের বিষয় কী?
প্রশ্ন॥৩॥ ক্ষেন্তির পরিচয় দাও।
প্রশ্ন॥৪॥ অন্নপূর্ণার সন্তান বাৎসল্যের পরিচয় দাও।
প্রশ্ন॥৫॥ ক্ষেন্তির বাবা-মা ক্ষেন্তির বিয়ে কেনো ভেঙে দেন?
প্রশ্ন।৬।ক্ষেন্তির মা কেনো ক্ষেন্তির সাহায্য নিতে প্রথম অস্বীকার করে?
প্রশ্ন॥৭॥ ক্ষেন্তির খাবার গ্রহণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত একটি পরিচয় দাও।
প্রশ্ন॥৮॥ ক্ষেন্তি কীভাবে মারা যায়?
প্রশ্ন।৯।ইহা যে ঝড়ের অব্যবহিত পূর্বের আকাশের স্থির ভাব মাত্র, তাহা বুঝিয়া তিনি মরিয়া হইয়া ঝড়ের প্রতীক্ষায় রহিলেন।”— ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥ ১০॥ “চাল নেই, চুলো নেই, এক কড়ার মুরোদ নেই, চৌধুরীরা তোমায় একঘরে।করবে এ আর এমন কঠিন কথা কী?”- ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥১১।“পিনটির বয়স খুঁজিতে গেলে প্রাগৈতিহাসিক যুগে গিয়া পড়িতে হয়।” ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥১২॥ “কি ভাবিয়া অন্নপূর্ণার চোখে জল আসিল। চাপিতে গিয়া তিনি চোখ উঁচু করিয়া চালের বাতায় গোঁজা ডালা হইতে শুকনা লঙ্কা পাড়িতে লাগিলেন।”— ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥১৩॥ “ইহাদের ভাব দেখিয়া মনে হইতেছিল ইহারা কাহারও ঘরে সিঁদ দিবার ” না কর।
প্রশ্ন॥১৪।“আমার জোটে খাব, না জোটে না খাব, তা বলে পরের জিনিসে হাত?”— ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন।১৫।“এমন ভালো মানুষ, কাজকর্মে বকো, মারো, গাল দাও, টু শব্দটি মুখে নেই।”— ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥১৬॥ “খুব জ্যোৎস্না উঠিয়াছিল, বাড়ির পেছনে ষাঁড়া গাছের ঝোপের মাথায় তেলাকুচা লতার থোলো থোলো সাদা ফুলের মধ্যে জ্যোৎস্না আটকিয়া রহিয়াছে।”— ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥১৭৷ “দুই বোনের খাইবার জন্য কলার পাতা চিরিতে চিরিতে পুঁটি অন্যমনস্কভাবে হঠাৎ বলিয়া উঠিল— দিদি বড় ভালোবাসত.……..…..।”— বুঝিয়ে দাও।
প্রশ্ন॥১৮।“বাড়ির সেই লোভী মেয়েটির স্মৃতি পাতায় পাতায়, শিরায় শিরায় জড়াইয়া তাহার কত সাধের নিজের হাতে পোঁতা পুঁই গাছটি মাচা জুড়িয়া বাড়িয়া উঠিয়াছে- বর্ষার জল ও কার্তিকের শিশির লইয়া কচি কচি সবুজ ডগাগুলি মাচাতে সব ধরে নাই, মাচা হইতে বাহির হইয়া দুলিতেছে -সুপুষ্ট নধর প্রবর্ধমান জীবনের লাবণ্যে ভরপুর।”- ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥১৯।‘একঘরে করবে গো তোমাকে একঘরে করবে, কাল চৌধুরীদের চণ্ডীমণ্ডপে এসব কথা হয়েছে।”- ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন৷২০॥ “মেয়েটি শান্ত অথচ ভয়মিশ্রিত দৃষ্টিতে মার দিকে চাহিয়া হাতের বাঁধন আলগা করিয়া দিল।”— ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥২১।“নিয়ে যা, খেতে হবে না- মেয়ে মানুষের আবার অত নোলা কিসের?”- ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন।২২।“তোমার তো ইহকালও নেই, পরকাল ও নেই, চুরি করতে, ডাকাতি করতে যা ইচ্ছে কর, কিন্তু মেয়েটাকে আবার এর মধ্যে নিয়ে গিয়ে ওর মাথা খাওয়া কিসের জন্য।”- ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন।২৩৷ “চোখের জলে তাঁহার গলা বন্ধ হইয়া আসিল, কিছু বলিতে পারিলেন না।”- ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন৷২৪৷ “সমাজে বসে এসব কাজগুলো তুমি যে করবে, আর আমরা বসে বসে দেখব এ তুমি মনে ভেব না।”— ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥২৫॥ “সমাজের বামুনদের যদি জাত মারবার ইচ্ছে না থাকে মেয়ের বিয়ের বন্দোবস্ত করে ফেল।”- ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন২৬৷ “তাহার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম দেখা দিল, কিন্তু মুখ দিয়া কথা বাহির হইল না।”— ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন৷২৭৷ “মুখ যদি মনের দর্পণস্বরূপ হয় তবে ক্ষেন্তির মুখ দেখিয়া সন্দেহের কোন কারণ থাকিতে পারিত না যে, সে অত্যন্ত মানসিক তৃপ্তি অনুভব করিতেছে।”- ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন।২৮৷ “তাঁহার এই অত্যন্ত অগোছানো নিতান্ত নিরীহ এবং একটু অধিক মাত্রায় ভোজনপটু মেয়েটিকে পরের ঘরে অপরিচিত মহলে পাঠাতে তাঁহার বুক উদ্বেল হইয়া উঠতেছিল।”— ব্যাখ্যা কর।

গ-বিভাগ

প্রশ্ন॥১॥ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘পুইমাচা’ গল্পের মূলবক্তব্য নিজের ভাষায় লিখ।
প্রশ্ন॥২॥ “অন্নপূর্ণা এক সর্বংসহা শাশ্বত জননীর প্রতিমূর্তি”- উক্তিটির আলোকে অন্নপূর্ণার মাতৃহৃদয়ের পরিচয় দাও।
প্রশ্না॥৩॥ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘পুঁইমাচা’ গল্পে তৎকালীন সমাজের যে চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে তা আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৪॥ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পুঁইমাচা’ গল্প অবলম্বনে অন্নপূর্ণার চরিত্র বিশ্লেষণ কর।
প্রশ্ন॥৫॥ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পুঁইমাচা’ গল্প অবলম্বনে ‘ক্ষেন্তি’ চরিত্র আলোচনা কর। বৈশিষ্ট্যসমত নিজের ভাষায় লিখ।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!