ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

নেতৃত্ব বলতে কী বুঝ? গ্রামীণ নেতৃত্বের পরিবর্তনশীলতা সম্পর্কে আলোচনা কর।

অথবা, গ্রামীণ নেতৃত্ব বলতে কী বুঝ? গ্রামীণ নেতৃত্বের পরিবর্তনশীল প্রবণতা তুলে ধর।
অথবা, নেতৃত্ব কী? গ্রামীণ নেতৃত্বের পরিবর্তনের স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।
অথবা, নেতৃত্বের সংজ্ঞা দাও। গ্রামীণ নেতৃত্বের পরিবর্তনের স্বরূপ বিশ্লেষণ কর।
অথবা, নেতৃত্ব কী? গ্রামীণ নেতৃত্বের পরিবর্তনশীলতা সম্পর্কে বর্ণনা কর।
অথবা, নেতৃত্ব কাকে বলে? গ্রামীণ নেতৃত্বের পরিবর্তনশীল প্রবণতা সম্পর্কে আলোচনা কর।

উত্তর৷ ভূমিকা : নেতৃত্ব হচ্ছে সর্বজনবিদিত একটি সামাজিক প্রক্রিয়া যা সমাজস্থ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে। মানুষের মানবীয় কার্যকলাপের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিকে হিসেবে বিবেচিত হয় নেতৃত্ব। বস্তুত নেতৃত্ব ব্যতিরেকে। কোনো সামাজিক এককই তার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারে না।
নেতৃত্বের ধারণা : বিভিন্ন সমাজবিজ্ঞানী রাষ্ট্রবিজ্ঞানীসহ জ্ঞানের অন্যান্য শাখার অনেক গবেষক গবেষণা চালিয়েছেন নেতৃত্বের প্রকৃতি ও স্বরূপ নির্ধারণের জন্য। তারা প্রত্যেকেই নেতৃত্বে কোনো না কোনো বিশেষ দিকের প্রতি অধিক মাত্রায় দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের মতামত ও ধারণার মধ্যে পাঁচটি ধারণা বহুল প্রচলিত। এগুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হলো :
১. নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে মেরুকরণ। কেন্দ্রে অবস্থিত নির্দিষ্ট ব্যক্তিই নেতা। (Leader) হিসেবে স্বীকৃত। তিনি তার আচরণ দ্বারা অন্যদের প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন ।
২. নেতাকে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের অগ্রদূত যোগ্য ইত্যাদি হিসেবে প্রচার করা হয়। নেতা নিজেও
তার সদস্যদের সে দিকে ধাবিত করান।
৩. সামাজিক বিভিন্ন প্যারামিটারের মাধ্যমে নেতাকে নেতা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান যেটা দল বা গোষ্ঠীর অন্তর্গত সদস্যরা তার বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি বিচার ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে নেতৃত্বের ভার অর্পণ করে।
৪. নেতা তার গুণাবলির দ্বারা দলকে বিন্যাস করে থাকেন। প্রতি দলের পরিচালনার জন্য অসংখ্য পরমমান থাকে।নেতা তার দলকে নির্দিষ্ট পরমমানের দিকে ধাবিত করেন।
৫. নেতৃত্বমূলক আচরণ নেতৃত্বকে নির্দেশ কিংবা তার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যমণ্ডিত আচরণ রয়েছে যা নেতা প্রদর্শন করে থাকে।
নেতৃত্বের সংজ্ঞা : নিম্নে কয়েকজন খ্যাতনামা দার্শনিক ও সমাজবিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নৈতৃত্বের সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলো :
চেস্টার আই. বার্নার্ড (Chester I Bernard) বলেন, “নেতৃত্ব বলতে ব্যক্তিবর্গের এমন আচরণ বা গুণকে বুঝায় যার মাধ্যমে তারা সংগঠিত কার্য প্রচেষ্টায় জনগণকে বা তাদের কার্যকলাপ পরিচালিত করে।”
এইচ. ডি. ডুনেল (H. D. Dunel) বলেন, “সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের জন্য জনগণকে সহযোগী হতে বা উদ্যমী ও প্ররোচিত করার কাজকেই নেতৃত্ব বলে।”
সেলার হডসন (Seckler Hodson) বলেন, “নেতৃত্ব বলতে প্রতিষ্ঠানে উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কোনো সাধারণ কর্ম প্রচেষ্টায় সমবেতভাবে কর্ম সম্পাদন করতে মানুষকে প্রভাবিত ও উৎসাহিত করাকে বুঝায়।”
প্রফেসর এইচ. কুঞ্জা এবং সি. অডোনাল (Prof. H Kunja & C. Odonal) বলেন, “নেতৃত্ব হলো জনগণকেপ্রভাবিত করার এমন এক প্রক্রিয়া বা কলা যার মাধ্যমে তারা দলীয় লক্ষ্য অর্জনে স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়।”

গ্রামীণ নেতৃত্বের পরিবর্তনশীল প্রবণতা (Changeable trend in rural leadership) : বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজের নেতৃত্বে ও ক্ষমতা কাঠামোয় যে ধরনের পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে তার সার্বিক বিশ্লেষণ তুলে ধরলে গ্রামীণ নেতৃত্বের কতিপয় পরিবর্তনশীলতা প্রতীয়মান হয়ে ওঠে। এদের মধ্যে প্রধান প্রধান প্রবণতাগুলো তুলে ধরা হলো :
i. জাতীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা (Relation in national politics): গ্রামীণ নেতৃত্বের পরিবর্তনশীল প্রকৃতির মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য একটি বৈশিষ্ট্য হলো জাতীয় রাজনীতির সাথে সখ্যতা। গ্রামীণ রাজনীতির কর্মকাণ্ডের প্রসারজনিত কারণে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জাতীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এখন দেখা যায় যে, গ্রাম এলাকা থেকে প্রচুর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জেলা শহরগুলোতে এসে রাজনৈতিক দিক দিয়ে তৎপরতা প্রদর্শন করছে। গ্রামীণ নেতৃত্বের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই প্রত্যেকে কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত। কেননা এই সম্পৃক্ততা ক্ষমতার অন্যতম উৎস ও বটে।
ii. অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন (Economical and social development): গ্রামীণ সমাজ অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পিছিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে এখান থেকে তুলে আনার জন্য প্রয়োজন শিক্ষিত, উন্নয়নমুখী ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন নেতৃত্বের। এই প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামীণ নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এখন শিক্ষিত পরিশ্রমী,কর্মী ও দায়িত্বশীল কর্মীর সংখ্যা বাড়ছে। এ ধরনের ব্যক্তিদের প্রভাব গ্রামীণ রাজনীতিতে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সময়ের প্রয়োজনই তাদেরকে নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত করছে।
iii. স্বল্প ও মধ্যবয়সী নেতৃত্বের বিকাশ : গ্রামীণ নেতৃত্ব কাঠামোর আগে বয়স্কদের নেতৃত্ব বিদ্যমান ছিল। কিন্তু বর্তমানে এখানে স্বল্প ও মধ্যবয়সী তরতাজা প্রাণের উপস্থিতি লক্ষণীয়। বয়সের এই পরিবর্তনশীলতা গ্রামীণ নেতৃত্বের প্রবণতাকে অনুধাবন করার অন্যতম চলকও বটে। কেননা অপেক্ষাকৃত বয়স্ক নেতৃত্ব, সনাতন আদর্শ। মূল্যবোধ, কৃষ্টি, সংস্কৃতি প্রভৃতি বর্তমান সমাজব্যবস্থার স্বার্থে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। কিন্তু স্বল্প বয়সী নেতৃত্ব উদ্যমী, শিক্ষিত ও গতিশীল হয়ে থাকে। তারা সামাজিক গতিশীলতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে যেতে পারে।
iv. নারী নেতৃত্বের বিকাশ : বর্তমান সময়ে নারীর সম অধিকার নিয়ে কথা হচ্ছে গোটা বিশ্ব জুড়ে। নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সরকার ও আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সমর্থন থাকার নারীদের গ্রামীণ নেতৃত্ব অর্জনের সুযোগ এসেছে। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বেসরকারি সংস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রদর্শন করছে। এখান থেকে চিন্তা করলে দেখা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের দেশের গ্রামগঞ্জে নেতৃত্বে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং এর ধারাবাহিকতায় নেতৃত্বের ধরনে অনেক পরিবর্তন আসতে বাধ্য।
v. সন্ত্রাস : জাতীয় রাজনীতির মতো গ্রামীণ রাজনীতিতেও সন্ত্রাসের আনাগোনা লক্ষণীয়। অতীতে এই রাজনীতি ছিল একমুখী কিন্তু বর্তমানে এটি বহুমাত্রিক। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অসংখ্য প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় যাদের অধিকাংশই শক্তিশালী এবং প্রভাবশালী। ভোট গ্রহণের সময় তারা নানারকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করে থাকে। গ্রামীণ ভোটাররা অনেক ভোট কেন্দ্রে ভয়ে ভোট দিতে পারে না। সুতরাং সহজেই বুঝা যাচ্ছে যে, জাতীয় রাজনীতির মতো গ্রামীণ রাজনীতিতেও অধিক প্রতিযোগিতা, দ্বন্দ্ব ও টাকার খেলা হচ্ছে যা সন্ত্রাসীদেরকে আকৃষ্ট করছে।
vi. আভিজাত্যের আধিপত্যের অবসান : পূর্বেকার যুগে গ্রামীণ নেতৃত্ব ছিল বিত্তশালীদের কুক্ষিগত সম্পত্তি। একজন
অনাভিজাত এবং দরিদ্র ব্যক্তি কখনো গ্রামীণ নেতৃত্বে আসার স্বপ্ন দেখতো না। তবে ইদানীং আভিজাত্যের আধিপত্যের অবসান হয়েছে। গ্রামীণ রাজনীতিতে অর্থ একটা বড় নিয়ামক হলেও ভালো গুণী মানুষেরও কদর এখানে তুঙ্গে।
vii. দলীয় রাজনীতির প্রভাব : গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আমাদের দেশে গ্রামীণ সমাজে যে নেতিবাচক প্রভাবটি পড়ে সেটি হচ্ছে গ্রামীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নোংরা রাজনীতি । প্রাচীনকালে গ্রামীণ রাজনীতিতে দলীয় রাজনীতির প্রভাব পড়েনি। রাজনীতির প্রভাবও বর্তমানের ন্যায় অতিমাত্রায় ছিল না। প্রতিটি গ্রাম নিজস্ব আদলে নেতা নির্বাচনের কাজটি সম্পন্ন করতো। কিন্তু আধুনিক কালে এ পরিস্থিতির ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব এখন দলীয় রাজনীতির উপর অতি মাত্রায় নির্ভরশীল। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় গ্রামীণ নেতৃত্বের নির্বাচন হয়। এভাবে দলীয় বিভক্তির কারণে পুরো গ্রামটাই রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ে ।
viii. গতিশীল নেতৃত্বের আবির্ভাব : ঐতিহ্যবাহী নেতৃত্বের পরিবর্তে এখন আধুনিক শিক্ষিত ও গতিশীল নেতৃত্বের উদ্ভব ঘটেছে। গ্রামীণ ঐতিহ্যবাসী সমাজে সাধারণ নিয়মে বংশপরম্পরায় ক্ষমতার চর্চা হতো। এরই ধারাবাহিকতায় তারা গ্রামীণ সাধারণ মানুষের উপর কর্তৃত্ব চালাত। কিন্তু বর্তমানে এই বংশগত নেতৃত্বের কাঠামোতে ভাঙনের দৃশ্য প্রকটমান। একইভাবে বলতে গেলে গ্রামীণ নেতৃত্বে মিঞাবাড়ী, বাহাদুরবাড়ী, তালুকদার বাড়ী প্রভৃতির অতীত ঐতিহ্য ও প্রাধান্য তখন আর নেই ।
ix. নগরায়ণের প্রভাব : শহর ও নগরের প্রসারতার ফলে যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এরই হাত ধরে গ্রামীণ সমাজ কাঠামোতে শহরের শহরের ছাপ প্রতীয়মান হয়েছে। শহরের সংস্কৃতি গ্রামীণ সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রাকে নাড়া দিয়েছে। গ্রামীণ সমাজের সনাতন মূল্যবোধগুলোয় কিছুটা পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রামীণ নেতৃত্বের কাঠামোয় পরিবর্তন এসেছে। তাছাড়া বর্তমানে শহরের সাথে সম্পর্কযুক্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ গ্রামীণ রাজনীতিতে অধিমাত্রায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাদের কর্তৃক গ্রামীণ সাধারণ মানুষ অনেক ক্ষেত্রে নিষ্পেষিত ও লাঞ্ছিত হচ্ছে। কোনো বিপদের দিনে তারা শহরে পাড়ি জমাতেও পিছপা হয় না ।
x. শিক্ষা : শিক্ষা নেতৃত্বের অন্যতম একটা মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত। কেননা গ্রামীণ নেতৃত্বের কাঠামোতে স্থান,পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ কারণে গ্রামীণ নেতৃত্ব কাঠামোতে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিগণ অতিমাত্রায় জায়গা করে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষিত মানুষের যদি অর্থের হাঁকডাক নাও থাকে তবু তাদের একটা মূল্যায়নের জায়গা থাকেই। এমনকি তারা যদি গ্রামে নাও থাকে তবুও তাদের প্রভাব প্রসন্নভাবে হলেও গ্রামে বিদ্যমান থাকে।
xi. উৎপাদন ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান : অকৃষিজ কর্মস্থান ও উৎপাদন ব্যবস্থার প্রসারের ফলে গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো ও নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে ভূমি মালিকানার একচেটিয়া আধিপত্য হ্রাস পেয়েছে। বিভিন্ন মুখী গতিশীলতার কারণে এখন শুধু ভূমি মালিকানা গ্রামীণ নেতৃত্বের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচ্য নয়। বরং অকৃষিজ কর্মসংস্থান যেমন- ব্যবসায় বাণিজ্য, চাকরি প্রভৃতি পেশা এখন গ্রামীণ নেতৃত্বের অন্যতম মানদণ্ডে রূপায়িত হচ্ছে।
উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনার নিরিখে বলা যায় যে, গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোতে পূর্বের নেতৃত্বের কাঠামো ভেঙে নতুন নেতৃত্বের কাঠামো তৈরি হয়েছে যেখানে আদর্শ, মূল্যবোধ, সংস্কৃতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে নতুনত্বের আঁচ লেগেছে। এর পাশাপাশি গ্রামীণ সামাজিক বিধিমালা ও রীতিনীতির পরিবর্তন এই কাঠামোকে নমনীয় করেছে। এই রীতিনীতির নমনীয়তাকে আরো গণতান্ত্রিকরূপে উপস্থাপন করেছে আধুনিকায়নের ছোঁয়া। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রামীণ জনগণের মধ্যে সচেতনতার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছে যা নেতৃত্বের কাঠামোগত পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করেছে।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!