ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

নারীর উদারনীতিবাদ কী?

অথবা, নারীর উদারনীতিবাদ বলতে কী বুঝ?
অথবা, নারীর উদারনীতিবাদের সংজ্ঞা দাও।
অথবা, নারীর উদারনীতিবাদ সম্পর্কে যা জান লিখ।
অথবা, নারীর উদারনীতিবাদ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
অথবা, নারীর উদার নীতিবাদ সম্পর্কে তোমার মতামত কী?
উত্তর৷ ভূমিকা :
বিগত বিংশ শতাব্দীর সংস্কারপন্থি নারীবাদ পূর্বসূরীদের অনুসরণে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোতে আইনগত, সামাজিক ও অন্যান্য সংস্কার সাধন করে নারীর অবস্থান উন্নত করতে প্রয়াসী হন। এদের মধ্যে যেটী ফিডেন অন্যতম ছিলেন। বেটী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী আন্দোলনের অগ্রদূত জাতীয় নারী সংগঠন (NOW) এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। এ সংগঠনে উদারপন্থি সদস্যদের প্রাধান্য ছিল। এছাড়াও এ মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন মেরি ওলস্টোনক্রাফট, টেইলর, জন স্টুয়ার্ট মিল প্রভৃতি উদারতাবাদী রাজনীতিবিদ। তাঁদেরকে অনুসরণ করে
পরবর্তীতে তাত্ত্বিকরা তত্ত্ব দিয়েছেন। মেরির একশত বছর পরে ঊনবিংশ শতাব্দীতে মিল ও টেইলর নারীর পক্ষে দাঁড়ালেন। মিল ও টেইলরের মধ্যে ঐকমত্য থাকলেও কতিপয় বিষয়ে মতপার্থক্য ছিল। মেরি নারীর জন্য শিক্ষাকে মুক্তির একমাত্র উপায় চিহ্নিত করেছেন। মিল এবং টেইলর অভিন্ন শিক্ষার পাশাপাশি নারী পুরুষের অভিন্ন রাজনৈতিক অধিকার ও সমান অর্থনৈতিক সুবিধার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন।
নারীর উদারনীতিবাদ : উদারনীতিবাদ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি তত্ত্ব। এ মতবাদ অনুসারে বিচারবুদ্ধি বা বিচার বিবেচনা শক্তি মানবজাতির ব্যতিক্রমধর্মী এক বৈশিষ্ট্য, যা মানুষকে প্রাণিকূল অবস্থা থেকে পৃথক সত্তা দান করেছে। একমাত্র মানুষ বিচার বুদ্ধিসম্পন্ন, অন্য কোনো প্রাণীর এ বৈশিষ্ট্য নেই। একমাত্র একজন বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের স্বাধীনভাবে কাজ করার শক্তি ও জীবনে সিদ্ধিলাভ করার ক্ষমতা থাকে। নারীর উদারতাবাদ সম্পর্কে জনৈক উদারতাবাদী দার্শনিকের মন্তব্য হলো, “Liberalism of women is a just society allows individuals to exercise their autonomy and to fulfil themselves.” অর্থাৎ, নারীর উদারতাবাদ হলো যে সমাজে প্রত্যেক মানুষ ব্যক্তিস্বাধীনতা প্রয়োগ করার এবং আত্মসিদ্ধি লাভ করার সুযোগ পায় ।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, নারীকে পুরুষের সাথে পৃথক না করে সমঅধিকার, মর্যাদা ও কাজে প্রতিষ্ঠা করাই উদারনীতিবাদ। নারী উদারনীতিবাদ নারীকে সমাজে সম্মান ও মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়ক। তাই নারীর উদারনীতিবাদ নারী আন্দোলনের একটি শক্তিশালী প্রত্যয় হিসেবে বিবেচ্য।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!