ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

দ্বিতীয় অধ্যায়, বাংলাদেশ দর্শনে সুফিবাদের প্রভাব

ক-বিভাগ

মরমিবাদ কী?
উত্তর : মরমিবাদ আধ্যাত্মিক বা আত্মোপলব্ধির দর্শন।
পরমসত্তাকে জানার বা পরমসত্তার সঙ্গে একাত্মবোধ মানুষের যে
সহজাত বাসনা কিংবা আজীবন পরমসত্তার সান্নিধ্য প্রচেষ্টা তাই
মরমিবাদ নামে পরিচিত ।
মরমিবাদ অনুসারে জ্ঞানের উৎস কী?
উত্তর : ক্ষমতানুসারে মরমি অভিজ্ঞতা বা স্বজ্ঞা (intuition) জ্ঞানের উৎস ও পদ্ধতি।
মরমি অভিজ্ঞতার স্বরূপ কী?
উত্তর : মরমি অভিজ্ঞতা আত্ম-অভিব্যক্তিমূলক, সম্পূর্ণ অনবদ্য ও অনির্বাচনীয়। প্রচলিত সাধারণ ভাষায় এর অভিব্যক্তি ব্যাখ্যা অসম্ভব।
মরমি অভিজ্ঞতা বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : প্রচলিত অভিজ্ঞতা খণ্ডবুদ্ধি প্রভৃতি জ্ঞানের প্রচলিত বাহনসমূহের ধরাছোঁয়ার বাইরে ও অন্তরালে এমন এক ধরনের নিগূঢ় তত্ত্ব বিদ্যমান যা অভিব্যক্ত হয় অভিজ্ঞতার এক বিশেষ চূড়ান্ত মুহূর্তে। অব্যাহত শ্রম ও অনুশীলনের ফলে অর্জিত অভিজ্ঞতার এই চূড়ান্ত পর্যায়েই জ্ঞাতা লাভ করে এক সুগভীর অন্তর্দৃষ্টি, সরাসরি প্রবেশ করে জ্ঞেয়বস্তুর মর্মপ্রদেশে এবং একাত্মবোধ করে তার সঙ্গে। এই অন্তর্দৃষ্টিসমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার নামই মরমি অভিজ্ঞতা।
মরমিবাদের মতে কারা এ অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে?
উত্তর : মরমিসাধক বা জ্ঞানের সাধক কোন কোন বিরল মুহূর্তে বুদ্ধির পর্যায় অতিক্রম করে সরাসরি পরমসত্তা বা ঈশ্বরের সান্নিধ্য এবং উপলব্ধি করেন সেই মিলনের অনবদ্য অনুভূতি।
মরমিবাদে মানুষের চরম ও পরম আনন্দ নিহিত কোথায়?
উত্তর : অতীন্দ্রিয় সত্তার সন্ধান ও অনুধাবনে নিহিত রয়েছে মানুষের চরম ও পরম আনন্দ।
প্রজ্ঞামূলক জ্ঞান সম্পর্কে মরমিবাদের অভিমত কী?
উত্তর : প্রজ্ঞামূলক জ্ঞান আংশিক আপেক্ষিক ও অসম্পূর্ণ।
মরমিবাদ মানুষকে কিসের সন্ধান দেয়?
উত্তর : মরমিবাদ মানুষের আধ্যাত্মিক পিপাসা মিটাতে প্রয়াস পায় এবং স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে অভাবিত অবিচ্ছেদ্য নিগূঢ় সম্পর্কের সন্ধান দেয়।
মরমিবাদে মানুষ মরমি অভিজ্ঞতা লাভ করে কিসের মাধ্যমে?
উত্তর : স্বজ্ঞার মাধ্যমে (বিভিন্ন মরমিবাদী দর্শন স্বজ্ঞাকে বিভিন্ন নামে অভিহিত করেছে)।
মরমিবাদ দর্শনে স্বজ্ঞার প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এমন কয়েকটি শব্দের নাম লিখ।
উত্তর : তাৎক্ষণিক অনুভূতি, সাক্ষ্য প্রমাণ, সংবেদন, অন্তদর্শন, প্রেমানুভূতি, আত্মোপলব্ধি, সহজাত প্রভৃতি ইত্যাদি।
বিশ্বের মরমি সাহিত্য কিসের চেতনায় সমৃদ্ধ?
উত্তর : আত্মোপলব্ধির চেতনায়।
বাংলাদেশের দর্শনের ইতিহাসের কয়েকটি মরমিবাদী দর্শন ধারার নাম লিখ।
উত্তর : বৈষ্ণবদর্শন, সুফিদর্শন,বাউলদর্শন প্রভৃতি।
সুফিবাদ বা সুফিতত্ত্ব কী?
উত্তর : আল-গাজ্জালীর মতে, আল্লাহ ব্যতীত আর সবকিছু থেকে হৃদয়কে পবিত্র করে সব সময় আল্লাহর আরাধনায় নিমগ্ন হওয়ার নাম সুফিতত্ত্ব বা সুফিবাদ।
ইসলামি পরিভাষায় ‘সুফিবাদের’ প্রতিশব্দ কী?
উত্তর : তাসাউফ।
সুফিবাদের উদ্দেশ্য কী?
উত্তর : আত্মাকে কালিমামুক্ত করে খোদার দর্শন ও চিরশান্তি লাভই সুফিবাদের উদ্দেশ্য।
সুফিদর্শন বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : সুফি দর্শনকে বলা যায় আত্মোপলব্ধির দর্শন, নিজকে জানার দর্শন এবং নিজে জানার ভেতর দিয়ে আল্লাহকে চেনার দর্শন।
সুফি শব্দের উৎপত্তি হয়েছে কোথা থেকে?
উত্তর : ‘সুফি’ শব্দের উৎপত্তি সম্পর্কে মোট পাঁচটি মত প্রচলিত রয়েছে। যথা :
১. সুফি শব্দটি ‘সফ’ শব্দ থেকে উৎপত্তি হয়েছে, যার অর্থ কাতার বা সারি।
২. সুফি শব্দটি ‘সফ’ শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার অর্থ পবিত্র।
৩. সুফি শব্দটি “আহলে সুফ্ফা” বা “আসহাবে সুফ্ফা” থেকে উদ্ভব হয়েছে যার অর্থ মহানবীর (স) ঘনিষ্ঠ
সাহাবী যারা ‘মসজিদে নববী’তে আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন।
৪. সুফি শব্দটি ‘সুফি’ শব্দ থেকে উদ্ভব হয়েছে যার অর্থ পশম।
৫. সুফি শব্দটি গ্রিক শব্দ “সফোস” থেকে উদ্ভব হয়েছে যার অর্থ জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ।
সুফি কারা?
উত্তর : যিনি পাক্-পবিত্র এবং জগৎ ও জীবনের সকল মোহ ত্যাগ করে শুধু পরম স্রষ্টাকে পাবার আশায় আত্মোৎসর্গ করেছেন তিনিই সুফি।
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুফি সাধক ও দার্শনিক আল্লামা ইকবাল সুফি সাধককে কী নামে অভিহিত করেছেন?
উত্তর : ‘মর্দে মুমিন’।
“আরাম আয়েশ ত্যাগ করা এবং আল্লাহকে পাওয়ার উদ্দেশ্যে দুঃখ-কষ্টকে বরণ করাই প্রকৃত সুফিবাদ”-উক্তিটি কার?
উত্তর : হযরত বায়েজিদ বুস্তামী (র)।
ইসলামের কয়টি দিক আছে এবং কী কী?
উত্তর : ইসলামের দুটি দিক আছে। যথাঃ বাহ্যিক দিক ও অভ্যন্তরীণ দিক। বাহ্যিক দিকটি শরিয়তের বিধান সম্বলিত আর অভ্যন্তরীণ দিকটি তরীকতের বিধান সম্বলিত।
সুফিবাদ ইসলামের কোন দিকের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত?
উত্তর : সুফিবাদ ইসলামের অভ্যন্তরীণ বা বাতেনি দিকের উপর প্রতিষ্ঠিত।
সুফিবাদের উৎস কী?
উত্তর : সুফিবাদের উৎস সম্পর্কে চারটি মত প্রচলিত আছে । যথাঃ
১. কুরআন ও হাদিসেই সুফিবাদের মূল বীজ নিহিত।
২. প্লেটোবাদ ও খ্রিস্টীয় মরমিবাদের প্রভাবেই ইসলামে সুফিবাদের উদ্ভব।
৩. সুফিবাদ ইরানী সংস্কৃতিতে ঐতিহ্যজাত।
৪. সুফিবাদ বেদান্ত ও বৌদ্ধদর্শন প্রভাবজাত। তবে সুফিবাদের মূল বীজ কুরআন-হাদিস ও মহানবী-সাহাবা-
তাবেয়ীদের জীবনাচারের মধ্যে নিহিত আছে এই মতটিই গ্রহণযোগ্য বলে স্বীকৃত।
ইসলাম ধর্মীয় চিন্তা ও দর্শনে সুফিবাদের কয়টি পর্ব লক্ষ্য করা যায় ও কী কী?
উত্তর : দুটি । যথাঃ আদিপর্ব- এই পর্বের সুফিরা সম্পূর্ণরূপে ভক্তিবাদী, ঐশী প্রেমে নিবেদিত। নিঃস্বর্গ অনাড়ম্বর জীবন ছিল তাঁদের কাম্য। দ্বিতীয় পর্ব- এই পর্বের সুফিরা আদি বৈরাগ্যবাদী ভাবধারার পরিবর্তে সর্বেশ্বরবাদী মরমিবাদী সাধনায় আত্মনিবেদন করেন।
মধ্যযুগের বাংলার সুফিসাধকরা মূলত কোন ধারার?
উত্তর : সুফিবাদের দ্বিতীয় পর্বের ধারার।
কয়েকজন প্রখ্যাত মুসলিম সুফির নাম লিখ।
উত্তর : হাসান আল-বাসরী, তাপসী রাবেয়া, আল-জুনায়েদ, আল-মিশরী (প্রথম পর্বের) মনসুর আল-হাল্লাজ,মহিউদ্দিন আল-আরাবী, জালাল উদ্দিন রুমী, আল-গাজ্জালী (দ্বিতীয় পর্বের) প্রমুখ ।
সুফিবাদ মুসলমানদের ধর্ম ও জীবনদর্শনের ব্যাপক বিস্তৃতি ও প্রভাব বিস্তার করে কার মাধ্যমে?
উত্তর : আল-গাজ্জালীর মাধ্যমে।
সুফিতত্ত্বে আল-গাজ্জালীর অবদান ইবনে খালদুন কী মন্তব্য করেছেন?
উত্তর : ইবনে খালদুন মন্তব্য করেন যে, “ইমাম আল-গাজ্জালী সুফিতত্ত্বকে জ্ঞানের একটি শাখা হিসেবে স্থাপন করেছেন এবং শিক্ষণ-প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একটি বিশেষ তাত্ত্বিক ধারাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন।”

বাংলাদেশে ইসলাম ধর্ম প্রধানত কাদের দ্বারা প্রচারিত হয়?
উত্তর : সুফি দরবেশদের দ্বারা।
বাংলায় সুফিবাদী চিন্তাধারার অনুপ্রবেশ ঘটে কখন?
উত্তর : তেরো শতকে বাংলায় মুসলিম শাসন সূত্রপাত হবার সাথে সাথে এদেশে সুফি চিন্তাধারার অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে মনে করা হলেও প্রকৃতপক্ষে এগারো শতক থেকেই বাংলায় সুফিবাদী চিন্তাধারা প্রবেশের সন্ধান পাওয়া যায়।
ড. এনামুল হক বাংলার সুফিবাদী চিন্তাধারাকে কী নামে অভিহিত করেছেন?
উত্তর : বাংলার নব্য সুফিবাদ।
নব্য সুফিবাদের সৃষ্টি হয়েছে কীভাবে?
উত্তর : সুফিবাদের সঙ্গে বাংলার দেশজ-লোকজ ধ্যানধারণা, বিশ্বাস, প্রথা, তন্ত্র, যোগ, দেহ সাধনার সংমিশ্রণে সৃষ্টি হয়েছে নব্য সুফিবাদ ।
ড. এনামুল হকের মতানুসারে ‘বাংলার নব্যসুফিবাদ’ বলতে কী বুঝ?
উত্তর : ড. এনামুল হকের মতানুসারে এগারো শতক হতে পনেরো শতক পর্যন্ত বাংলার সুফিবাদ উত্তর ভারতের সুফিবাদের অনুরূপ থাকলেও ষোল শতক হতে এ দেশীয় প্রভাবে পারস্পরিকভাবে প্রভাবিত হয়ে চিশতিয়া, কলন্দরিয়া, মাদারিয়া, কাদেরিয়া প্রভৃতি সম্প্রদায়ের সুফি সাধক ও বাংলার বাঙালি সুফিদের দ্বারা যে নতুন ধর্ম ও দার্শনিক আধ্যাত্মিকতা প্রকাশ লাভ করতে থাকে তাই বাংলার নব্যসুফিবাদ।
বাংলায় সুফিবাদের প্রচার ও প্রসার কালকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তর : তিন ভাগে । যথা : প্রথম পর্যায়-৮ম শতাব্দী থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত, দ্বিতীয় পর্যায়-১২০৪ থেকে ১২৫৮ খ্রিস্টাব্দ, তৃতীয় পর্যায়-১২৫৮ থেকে ১৮ শতক পর্যন্ত ।
বাংলায় প্রথম পর্যায়ের সুফি প্রচারকদের আগমন ঘটে কোথা থেকে?
উত্তর : আরব, ইয়েমেন, ইরাক, ইরান, খোরাসান, মধ্য এশিয়া ও উত্তর ভারত থেকে এ সময়ে সুফি ও আলেমগণ বাংলায় আগমন করেন।
প্রথম পর্বে বাংলায় আগত কয়েকজন প্রখ্যাত সুফি সাধকের নাম লিখ।
উত্তর : সুলতান বায়েজিদ বোস্তামী, সৈয়দ শাহ্ সুরখুল খানতিয়া, জালাল উদ্দিন তাবরেজী, শাহ্ মুহম্মদ সুলতান রুমী প্রমুখ ।
বাংলায় সুফিবাদ প্রচারের দ্বিতীয় পর্যায়ের কয়েকজন সুফি সাধকের নাম লিখ।
উত্তর : মখদুল শাহদৌলা শহীদ, শেখ জালাল উদ্দিন তারবেজী, মীর সৈয়দ রুকনুদ্দীন (রহঃ), দেওয়ান শাহাদাত হোসেন (রহঃ) শাহ কলন্দর মাওলানা তফীউদ্দিন আরাবী প্রমুখ।
বাংলায় সুফিবাদ প্রচারের তৃতীয় পর্যায়ের কয়েকজন সুফিসাধকের নাম লিখ।
উত্তর : শাহ্ শরীফ জিন্দানী, খান জাহান আলী, হাজী শরিয়ত উল্লাহ, হযরত শাহ্ জালাল ইয়ামনী, শাহ্ আমানত,শাহ্ আলী বাগদাদী প্রমুখ ।
সুফি তরিকা কী?
উত্তর : সুফি সাধনার পদ্ধতিকেই সুফি তরিকা বলা হয়।
সুফি সাধনার কতটি তরিকা আছে?
উত্তর : প্রায় দুইশত
বাংলাদেশে প্রচলিত আছে এমন কয়েকটি উল্লেখযোগ্য তরিকা কী কী?
উত্তর : কাদেরীয়া, সোহরাওয়ার্দীয়া, চিশতীয়া, নকশাবন্দীয়া, মুজাদ্দেদীয়া, কলন্দরী, মাদারী এবং আদহামী।
কাদেরীয়া তরিকার প্রবর্তক কে এবং বাংলাদেশে প্রথম কে এ তরিকা প্রবর্তন করেন?
উত্তর : কাদেরীয়া তরিকার প্রতিষ্ঠাতা হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ)। বাংলাদেশে এ তরিকার প্রথম প্রবর্তক হযরত শাহ্ কামিস।
চিশতীয়া তরিকার প্রবর্তক কে এবং বাংলাদেশে এ তরিকার প্রবর্তন করেন কে?
উত্তর : খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী এ তরিকার মূল প্রবর্তক না হলেও তার নামেই এ তরিকার পরিচিতি। বাংলাদেশে এ তরিকার প্রবর্তন করেন শেখ ফরিদুদ্দিন শাকরগঞ্জ এবং আবদুল্লাহ্ কিরমানী।
নক্‌শাবন্দীয়া তরিকার প্রতিষ্ঠাতা কে এবং বাংলাদেশে এ তরিকার প্রবর্তন করেন কে?
উত্তর : খাজা বাহাউদ্দিন নকশাবন্দ এই তরিকা প্রবর্তন করেন এবং বাংলাদেশে এ তরিকার প্রবর্তন করেন শেখ হামিদ দানিশমন্দ ।
সুফি সাধন প্রক্রিয়ায় গুরু এবং শিষ্যকে কী বলা হয়?
উত্তর : গুরুকে পীর বা শায়খ এবং শিষ্যকে মুরীদ বা সালেক বলা হয়।
‘খেলাফত’ কী?
উত্তর : সুফি সাধনায় সিদ্ধি লাভ করার পর পীর মুরীদকে খেলাফত দান করেন। অর্থাৎ খেলাফত হচ্ছে মুরীদের পীর হয়ে উঠার প্রাপ্ত সোপান।
সুফি সাধন প্রক্রিয়ায় কোন তরিকাভুক্ত হবার পর একজন মুরীদকে যে সকল কাজ সম্পাদন করতে হয় সেগুলো কী কী?
উত্তর : সেগুলো হলো : তওবা, পরিবর্জন ও পরিত্যাগ, দারিদ্র্য, সবর, আত্মসমর্পণ, তাওয়াক্কেল, শুকর, মোরাকাবা চাচাত ও জিকির এবং আল্লাহর প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা ও এখলাস প্রভৃতি।
সুফি সাধনার স্তর কয়টি ও কী কী?
উত্তর : চারটি। যথাঃ শরিয়ত, মারফত, তরিকত, হকিকত।
বাংলাদেশে সুফি দর্শন গড়ে উঠেছে কীভাবে?
উত্তর : বাইরে থেকে আগত সুফি চিন্তার সঙ্গে দেশীয় ভাবধারার গ্রহণ বর্জনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে বাঙালির সুফি দর্শন ।
বাঙালির নব্য সুফিবাদ বা সুফিবাদী দর্শনে আলোচিত উল্লেখযোগ্য সুফিতত্ত্বসমূহ কী কী?
উত্তর : আল্লাহতত্ত্ব, নূরনবীতত্ত্ব, সৃষ্টিতত্ত্ব, প্রেমতত্ত্ব, যোগতত্ত্ব ইত্যাদি।
সুফিবাদের আল্লাহ তত্ত্বের মূল কথা কী?
উত্তর : সুফিবাদের আল্লাহতত্ত্বের মূল কথা হলোঃ “লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু”-অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই ।
বাংলা সুফিদের বর্ণনায় নূরনবী তত্ত্বের কয়টি দিকের সন্ধান পাওয়া যায়?
উত্তর : চারটি দিকের। যথা : ধর্মতাত্ত্বিক, পরাতাত্ত্বিক, মরমি ও মানবিক দিক।
নূরনবীতত্ত্বের ধর্মতাত্ত্বিক দিকের মূল কথা কী?
উত্তর : হযরত মুহাম্মদ (স) আল্লাহর শেষ নবী। আল্লাহকে লাভ করতে হলে নবীর পদাঙ্ক অনুসরণ করতে হবে এবং তাঁর দ্বীন মেনে চলতে হবে।
নূরনবীতত্ত্বের মরমি দিকের ব্যাখ্যা কী?
উত্তর : সুফির মরমি সাধনায় নূরনবী সুফি সিলসিলার সর্ব প্রধান আধ্যাত্মিক গুরু। বাংলার সুফিরা নূরনবীর মরমি দিকের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন নূরনবী ‘পিরের পির দস্তগীর মুরশিদের মুরশিদ’ খোদার ছোট নবীর বড়। নূরনবী আধ্যাত্মিক জ্ঞানের আধার সকলেই শেষ নবী তথা নূরনবীর অনুসারী।
নূরনবীতত্ত্বের মানবিক দিকের মর্মকথা কী?
উত্তর : বাংলার সুফিরা নূরনবীর মানবিক দিকের ব্যাখ্যায় বলেন নূরনবী ‘মানুষ’ ‘সোনার মানুষ’ ‘মানুষ রতন’ সুফি পরিভাষায় ‘ইনসানুলকালেম’ বা পূর্ণমানব বা আল্লামা ইকবালের ভাষায় ‘মর্দে মুমিন’।
সুফিদর্শনের নূরনবীতত্ত্বের মূল বক্তব্য কী?
উত্তর : নূরনবী তত্ত্বানুসারে সৃষ্টির আদিতে আল্লাহ ছাড়া আর কিছুই ছিল না।আল্লাহর কোন আকার ছিল না। তিনি ছিলেন নিরাকার। নিজের অজ্ঞাতেই তিনি নিজের নূরের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজ প্রতিরূপ এক নূরের সৃষ্টি করেন।এই নূরই হলেন নূরে মুহাম্মদী বা নূরনবী।
সুফি সৃষ্টিতত্ত্ব অনুসারে সৃষ্টিক্রম কী?
উত্তর : আল্লাহ সৃষ্টিকর্তা। আল্লাহ নূরে মুহাম্মদী থেকে প্রথমে চার ফেরেস্তা সৃষ্টি করেন। এরপর তিনি মৃত্যু,চৈতন্য, প্রেম, প্রজ্ঞা, চিন্তা ও সাহস সৃষ্টি করেন। অতঃপর ‘কুন’ শব্দ থেকে মানুষের আত্মা সৃষ্টি করেন। এভাবে নূরে মুহাম্মদী থেকে সবকিছু সৃষ্টি হয়।
সুফি প্রেমাতত্ত্বের মূল বক্তব্য কী?
উত্তর : প্রেম সুফিদর্শনের প্রাণস্বরূপ । সুফি সাধনায় পরমাত্মার সাথে মানবাত্মার মিলনের সেতুবন্ধন হলো প্রেম।খোদা প্রেমে পাগল হয়েই সুফি তাঁর জগৎ সংসার সবকিছু ভুলে নিজেকে উৎসর্গ করেন তাঁর সান্নিধ্য পাবার আশায়।
বাংলার সুফি সাধকেরা প্রেমকে কয়ভাগে ভাগ করেন?
উত্তর : দু’ভাগে। যথাঃ জাগতিক প্রেম বা ভবের পিরিতি এবং ঐশী প্রেম বা খোদার পিরিতি ।
জাগতিক প্রেম কী?
উত্তর : বাংলার সুফিদের মতে, জাগতিক প্রেম কামিনী কাঞ্চনের প্রতি আকর্ষণ নয় বরং ঐশী প্রেমের সোপান স্বরূপ। এ প্রেম পরমাত্মার সাথে মিলনের প্রয়াস। ষড় রিপুকে দমন করে কামকে প্রেমে রূপান্তরিত করতে পারলেই ঐশী প্রেমে রূপান্তর করা যায়।
ঐশী প্রেম বা খোদার পিরিতি কী?
উত্তর : সুফি মতে, যে প্রেমের আকর্ষণে মানবাত্মা ও পরমাত্মার মিলন ঘটে তাই ঐশী প্রেম। এই প্রেমের আকর্ষণই সুফি সাধনার মূল সুর ।
সুফিরা কোথায় প্রেমাস্পদের অনুসন্ধান করতে থাকেন?
উত্তর : দেহের মধ্যে।
সুফিদর্শনে সুফির আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতাসমূহ কী কী?
উত্তর : কাশফ, এলাকা, ইলহাম, খোয়াব ও বাশারাত ।
কাশফ কী?
উত্তর : আধ্যাত্মিক জগতের কোন কিছু সম্বন্ধে প্রত্যক্ষ অনুভূতি বা স্বজ্ঞা লাভ করাকে কাশফ বলে।
ইলহাম কী?
উত্তর : আধ্যাত্মিক জগতের কোন কিছু সম্বন্ধে কোন জ্ঞান প্রাপ্তিকে ইলহাম বলে।
এলাকা কী?
উত্তর : আধ্যাত্মিক জগতের কোন গূঢ় বা জটিল বিষয়ে অন্তরে স্থির প্রতীতির সৃষ্টি হওয়াকে এলাকা বলে ।
খোয়াব কী?
উত্তর : খোয়াব অর্থ স্বপ্ন। স্বপ্নযোগে আল্লাহর তরফ থেকে কোন গূঢ় রহস্য বান্দার সামনে প্রকাশ করাকে খোয়াব বলে।
বাশারাত কী?
উত্তর : বাশারাত অর্থ সুখবর। মহান আল্লাহ কর্তৃক কোন ঘোষকের দ্বারা আধ্যাত্মিক জগতের কোন রহস্য তাঁর প্রিয় বান্দাদের সামনে আলোচিত করা বা তাঁদের কোন ঘটনা সম্বন্ধে অবহিত করাকে বাশারাত বলে ।
প্রকৃত সুফি মতে মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য কী?
উত্তর : সুফি মতে মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য হলো মানুষ মহান আল্লাহকে শর্তহীনভাবে ও সর্বাধিক ভালোবাসবে।
‘ফানা’ ও ‘বাকা’ কী?
উত্তর : সুফিদের আধ্যাত্মিক সাধনার সর্বোচ্চ স্তরের দুটি পর্যায়ক্রমিক দিক।
ফানা বা ফানাফিল্লাহ বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : মানুষের সসীম ইচ্ছাকে আল্লাহর অন্তর ইচ্ছার কাছে পরিপূর্ণভাবে সমর্পণ করা অর্থাৎ ঐশী সত্তায় ব্যক্তিসত্তার সমাহিত হওয়ার নাম ফানা বা ফানাফিল্লাহ।
সুফির পরম লক্ষ্য কী?
উত্তর : সুফির পরম লক্ষ্য বাকা বা বাকাবিল্লাহয় উপনীত হওয়া।
বাকা বা বাকাবিল্লাহ বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : বাকা বা বাকাবিল্লাহ হচ্ছে সুফি সাধনার সর্বোচ্চ পর্যায়। এ পর্যায়ে সুফির আত্মাসত্তা স্থিত হয় আল্লাহর চেতনায়। এ পর্যায়ে মনের অশুভ শক্তি পরাজয় বরণ করে শুভ শক্তি ও গুণাবলির কাছে এবং তাতে শুরু হয় স্বর্গীয়ভাবে অনুপ্রাণিত পুণ্যজীবন।
সুফি সাধনার কোন স্তরে পৌঁছে সুফি মনছুর আল হাল্লায বলে ছিলেন ‘আনাল হক’ বা ‘আমিই খোদা”?
উত্তর : বাকা বা বাকাবিল্লাহ পর্যায়ে ।
ভারতীয় মরমিবাদের সন্ন্যাসব্রত সম্পর্কে সুফি বা ইসলামি মরমিবাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী?
উত্তর : সুফিবাদ বা ইসলামি মরমিবাদ সন্ন্যাসবাদের আদর্শকে প্রত্যাখ্যান করে। ইসলামি মরমিবাদে স্ত্রী-পুত্র নিয়ে
সংসার যাত্রা নির্বাহের ভিতর দিয়েই জীবনে শ্রেয়ো ও প্রেয়োর অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে।
মধ্যযুগের বাংলাদেশের সুফিদের ব্যতিক্রমধর্মী উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর : মধ্যযুগের বাংলাদেশের সুফিরা গতানুগতিক সুফি সাধনার নিরবে নিবৃত্তে সাধন-ভজন থেকে সরে এসে সাহাবীদের মতো হিজরাত করেছেন, জেহাদ করেছেন এবং শহীদ বা গাজী হয়েছেন। অর্থাৎ এ সময়ের সুফিরা ন্যায় ধর্ম ও সত্যের পথে সংগ্রামী ছিলেন।
বাংলার সুফিদের এরূপ সংগ্রামী জীবন বেছে নেয়ার কারণ কী?
উত্তর : বাংলাদেশের পীর দরবেশ ও সুফিদের নিপীড়িত ও অধিকারহারা মানুষের প্রতি ছিল প্রচণ্ড ভালোবাসা। এই
ভালোবাসার কারণেই বাংলার অনেক সুফি সামন্ত প্রভু বা অত্যাচারী শোষকের বিরুদ্ধে মেহনতী মানুষের পক্ষ নিয়ে সংগ্রামী জীবন বেছে নিয়েছিলেন।
সুফিতত্ত্বকে কেন্দ্র করে রচিত বাংলা সাহিত্যের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম লিখ।
উত্তর : জ্ঞানপ্রদীপ-জ্ঞানচৌতিশা (মীর সৈয়দ সুলতান),গোরক্ষবিজয় (ফয়জুলাহ), নূরজামাল (হাজী মুহম্মদ),আগমজ্ঞানসাগর (আলীরজা), মোকামমঞ্জিল কথা (মোহাসেন আলী), আদ্যপরিচয় (শেখ জাহিদ) প্রভৃতি।
মধ্যযুগে বাংলায় আগত সুফিদের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
উত্তর : ইসলামের তৌহিদের বাণী, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, সাম্য ও শান্তির আদর্শ প্রচার করা।

খ-বিভাগ

প্ৰশ্ন৷৷১।৷ সুফিবাদ বলতে কী বুঝ?
প্ৰশ্ন৷॥২॥ নব্য সুফিবাদ বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন॥৩॥ সুফিবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখ ।
প্ৰশ্ন৷॥৪॥ নব্য সুফিবাদের বৈশিষ্ট্য নিরূপণ কর।
প্ৰশ্ন॥৫॥ সুফিবাদের স্তরসমূহ লেখ ।
প্ৰশ্ন৷।৬৷। সুফিবাদের উৎসসমূহ লেখ।
প্ৰশ্ন॥৭॥ বাঙালি দর্শনে সুফি প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৮॥ সুফিবাদের মূলনীতিসমূহ লেখ।
প্রশ্ন॥৯॥ সুফিবাদের গুরুত্ব লেখ।
প্রশ্ন৷৷১০৷৷ সুফিবাদের শরিয়ত বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন৷।১১৷। সুফিবাদে তরিকত বলতে কী বুঝ?
প্ৰশ্ন।৷১২৷৷ হকিকত বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন॥১৩৷। মারেফত বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন৷।১৪।৷ সুফি তরিকাসমূহ লেখ ।
প্ৰশ্ন৷।১৫৷। সুফিবাদ কী ধর্মের চেয়ে অতিরিক্ত কিছু?
প্রশ্ন॥১৬।৷ সুফিবাদে ভারতীয় প্রভাব কতটুকু?
প্রশ্ন৷৷১৭৷৷ তরিকত ও হকিকত বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন৷।১৮।৷ শরিয়ত ও মারেফত বলতে কী বুঝ?
প্ৰশ্ন৷৷১৯।৷ তওবা বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন৷৷২০৷৷ নির্ভরশীলতা বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন৷।২১।৷ সবর ও আনুগত্য বলতে কী বুঝ?
প্ৰশ্ন৷৷২২।৷ ফানাফিলাহ বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন৷৷২৩৷৷ ফানা ও বাকা বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন৷।২৪৷। সুফিবাদ ও রক্ষণশীল ইসলামের মধ্যে পার্থক্য লেখ।
প্রশ্ন।৷২৫।৷ সুফিবাদ ও গোঁড়া মুসলমানদের মধ্যে পার্থক্য লেখ।
প্রশ্ন।৷২৬৷৷ সুফি দর্শনের মানবতাবাদী আদর্শ ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন৷৷২৭৷৷ সুফি শব্দের উৎপত্তি সম্পর্কে কী জান?
প্রশ্ন।৷২৮৷৷ বাংলায় সুফিবাদের প্রচার ও প্রসার সম্পর্কে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।৷২৯৷৷ বাংলায় সুফিবাদ বিকাশের সময়কার সামাজিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন।৷৩০।৷ সুফি দর্শনের একত্ববাদ বা আলাহ তত্ত্ব সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন।৷৩১।৷ সুফি দর্শনের আত্মাতত্ত্ব সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।৩২৷৷ সুফি নূরনবীতত্ত্ব আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।৩৩।৷ সুফিবাদের প্রেম তত্ত্ব সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন।।৩৪।৷সুফিদর্শনের সৃষ্টিতত্ত্ব আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৩৫৷ সুফি যোগতত্ত্ব আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৩৬।। বাংলার সুফি সাহিত্য সম্পর্কে যা জান লিখ।

গ-বিভাগ

প্রশ্ন॥১॥ সুফিবাদ কী? সুফিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥২॥ বাংলাদেশের সুফিসাধকদের প্রকৃতি আলোচনা কর ।
প্রশ্ন॥৩॥ সুফিবাদের উৎপত্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন মতবাদ পর্যালোচনা কর।
প্রশ্ন॥৪॥ সুফিবাদ কী? সুফিবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৫॥ সুফিবাদ কী? সুফিবাদের উৎসসমূহ আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৬॥ সুফিবাদ কী? সুফিবাদের মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷।৭৷৷ সুফিবাদের মূলনীতিগুলো আলোচনা ও মূল্যায়ন কর।
প্ৰশ্ন॥৮॥ সুফিবাদের চারটি স্তর আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৯॥ সুফি তরিকা কাকে বলে? প্রধান প্রধান সুফি তরিকাসমূহ আলোচনা কর।
প্রশ্ন।৷১০।৷ বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারে সুফিগণের অবদান আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥১১।৷ সুফিবাদ কী? বাংলাদেশে সুফিবাদের বিকাশ সম্বন্ধে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন।৷১২।৷ সুফিবাদ কী? বাংলাদেশে সুফিবাদের প্রভাব আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷।১৩৷৷ সুফিবাদ কী? সুফিবাদ ও রক্ষণশীল ইসলামের মধ্যে পার্থক্য লেখ।
প্রশ্ন৷৷১৪৷৷ সুফিবাদ ও গোঁড়া মুসলমানদের মধ্যে পার্থক্য লেখ ।
প্ৰশ্ন৷৷১৫।৷ সুফিবাদ ও শরিয়ত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥১৬।৷ মরমিবাদ’ হিসেবে সুফিবাদের স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন॥১৭।৷ সুফিবাদ ও অন্যান্য মরমিবাদের মধ্যে বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর ।
প্রশ্ন॥১৮।৷ ফানা ও বাকা বলতে কী বুঝায়? সুফিবাদে এর তৎপর্য কী?
প্ৰশ্ন৷৷১৯।৷ সুফিবাদ বলতে কী বুঝায়? সুফিবাদে ভারতীয় প্রভাব কতটুকু? এ প্রসঙ্গে সুফিবাদ ও মরমিবাদের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন।৷২০।৷ বাংলায় সুফিবাদের সামাজিক প্রভাব আলোচনা কর।
প্রশ্ন।৷২১।৷ সুফিবাদ ও বাউলবাদের পার্থক্য তুলে ধর।
প্রশ্ন।৷২২।৷ নব্য সুফিবাদ বলতে কী বুঝ? নব্য সুফিবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধর।
প্ৰশ্ন।৷২৩৷৷ নব্য সুফিবাদে আলোচিত সুফি তত্ত্বসমূহ সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২৪৷৷ নব্য সুফিবাদ বলতে কী বুঝ? বাঙালির জীবনদর্শনে সুফিবাদের প্রভাব নিরূপণ কর।
প্রশ্ন।।২৫।। একজন সুফির সামাজিক জীবন কেমন হবে? সমাজে বাস করা ও সুফি হওয়ার মধ্যে কোন বিরোধ আছে কী?



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!