ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

জেলা পরিষদের বিবর্তন ও বিকাশ উল্লেখ কর।

অথবা, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থাতে জেলা পরিষদের ক্রমবিবর্তন তুলে ধর।
অথবা, জেলা পরিষদের বিবর্তন ও বিকাশ সম্পর্কে লিখ।
অথবা, জেলা পরিষদের ক্রমবিকাশ সম্পর্কে বর্ণনা দাও।
অথবা, জেলা পরিষদের ক্রমবিবর্তন সম্পর্কে যা জান লিখ।
অথবা, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থাতে জেলা পরিষদের ক্রমবিকাশ উল্লেখ কর।
ভূমিকা :
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের সর্বোচ্চ স্তর জেলা পরিষদ। ১৯৮৮ সালে জেলা পরিষদ আইন পাস করে পার্বত্য তিনটি জেলা ব্যতীত অন্যান্য ৬১টি জেলায় জেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা পরিষদের বিবর্তন ও বিকাশ : বর্তমান জেলা পরিষদ স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ধাপ। ১৯৮৮ সালে আইনের মাধ্যমে জেলা পরিষদের কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হলেও সময়ের দীর্ঘ পরিক্রমায় জেলা পরিষদকে পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। বিভিন্ন শাসনামলে জেলা পরিষদের বিভিন্ন রূপ ছিল। নিম্নে জেলা পরিষদের ক্রমবিবর্তন ও বিকাশ উল্লেখ করা হলো :
১. ব্রিটিশ আমল : ব্রিটিশ ভারতে ১৮৭১ সালে বঙ্গ প্রাদেশিক পরিষদ রাস্তা ও সেচ আইন পাস করলে সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ‘জেলা সড়ক কমিটি’ গঠন করা হয়। উক্ত জেলা সড়ক কমিটির মাধ্যমে জনসাধারণ সর্বপ্রথম জেলা প্রশাসনের কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের সুযোগ পায়। ১৮৮৮ সালে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অনুযায়ী জেলা সড়ক কমিটির স্থলে বোর্ড গঠন করার ব্যবস্থা করা হয়। এ আইনে জেলা বোর্ডের অধীন জেলার প্রত্যেক মহকুমার লোকাল বোর্ড গঠন করার ব্যবস্থা করা হয় লোকাল বোর্ডগুলো জেলা বোর্ডের এজেন্টরূপে কাজ করতো। ১৮৮৮ সাল হতে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত জেলা বোর্ডগুলো লোকাল বোর্ডের সদস্য কর্তৃক নির্বাচিত এবং সরকার কর্তৃক মনোনীত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হয়। ১৯৩৬ সালে লোকাল বোর্ড বাতিল হলে জেলা বোর্ডে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯২০ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করতেন। ১৯৩৬ সালে জেলা বোর্ডের কার্যকাল ৫ বছর করা হয়।
২. পাকিস্তান আমল : ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান তৈরির পর ১৯৫৭ সালে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইনে জেলা বোর্ডের নাম পরিবর্তন করে জেলা কাউন্সিল রাখা হয়। জেলা কাউন্সিল নির্বাচিত ও মনোনীত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হতো। ১৯৫৯ সালের মৌলিক গণতন্ত্রের আদেশে জেলা কাউন্সিলে নির্বাচনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ১৯৬২ সালের জেলা কাউন্সিলের অর্ধেক নির্বাচিত সদস্যের ব্যবস্থা করা হয়। জেলা প্রশাসক পদাধিকার বলে জেলা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হন। মৌলিক গণতন্ত্রের সহকারী পরিচালক (সিভিল সার্ভিসের সদস্য) জেলা কাউন্সিলের সচিব হিসেবে কাজ করতেন। জেলা কাউন্সিল শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট, কৃষি, শিল্প ও সমাজকল্যাণ সংক্রান্ত বহুবিধ কাজ
পরিচালনা করে।
৩. বাংলাদেশ আমল : স্বাধীনতা অর্জনের পর হতে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দেশে জেলা পরিষদ সংগঠিত হয়নি। ১৯৭৬ সালের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অর্ডিন্যান্স বলে জেলা কাউন্সিল গঠনের ব্যবস্থা করা হয়। প্রস্তাবিত জেলা কাউন্সিল জেলার ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সদস্য, সরকার কর্তৃক মনোনীত সদস্য এবং সংরক্ষিত মনোনীত মহিলা সদস্য নিয়ে গঠিত হয়। ১৯৮৭ সালে জেলা পরিষদ গঠন সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। ১৯৮৮ সালে জেলা পরিষদ আইন পাস করে ৩টি পার্বত্য জেলা ব্যতীত ৬১ টি জেলায় জেলা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে। জেলা পরিষদ আইন ২০০০ এর বিধান মতে একজন চেয়ারম্যান পনেরো জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের পাঁচজন মহিলা সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠনের বিধান রয়েছে। এ আইনে জেলা পরিষদের মেয়াদ তার প্রথম সভার তারিখ হতে পাঁচ বৎসর পর্যন্ত উল্লেখ রয়েছে।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের সর্বোচ্চ স্তর জেলা পরিষদ। যদিও জেলা পরিষদ অনেক দিন থেকেই প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। কিন্তু কখনো গণতান্ত্রিকভাবে কার্যক্রম চালাতে পারেনি। বর্তমানে জেলা পরিষদের প্রধান পদে নির্বাচিত চেয়ারম্যানের বদলে সরকার কর্তৃক মনোনীত ‘জেলা পরিষদ প্রশাসক’ গণ দায়িত্বরত রয়েছেন।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!