ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

উপজেলা পরিষদের বিবর্তন ও বিকাশ উল্লেখ কর।

অথবা, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে উপজেলা পরিষদের ক্রমবিবর্তনের পর্যায়সমূহ উল্লেখ কর।
অথবা, উপজেলা পরিষদের ক্রমবিবর্তণের বর্ণনা দাও।
অথবা, উপজেলা পরিষদের বিবর্তন ও বিকাশ সম্পর্কে লিখ।
অথবা, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থা হিসেবে উপজেলা পরিষদের ক্রমবিকাশের ধাপ বর্ণনা কর।
ভূমিকা :
উপজেলা পরিষদ আমাদের দেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল
করে আছে। পল্লি এলাকার প্রশাসন, শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা, উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয়ে উপজেলা পরিষদের ভূমিকা খুবই
গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে বর্তমানে ৪৯০ টি উপজেলা বিদ্যমান। তবে নতুন উপজেলা গঠিত হলে এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে
পারে। একজন চেয়ারম্যান উপজেলার প্রধান প্রশাসক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলার মুখ্য কর্মকর্তা।
উপজেলা পরিষদের বিবর্তন ও বিকাশ : বাংলাদেশের উপজেলা পরিষদ এক দীর্ঘ ধারাবাহিকতার বর্তমান রূপ। ব্রিটিশ ভারত থেকে ক্রমবিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমান পর্যায়ে উপনীত হতে বিভিন্ন শাসনব্যবস্থা অতিক্রম করতে হয়েছে। নিম্নে বিবর্তনের পর্যায়গুলো উল্লেখ করা হলো :
১. ব্রিটিশ আমল : ব্রিটিশ আমলে লর্ড কর্নওয়ালিসের সময় পুলিশকে জমিদারের নিয়ন্ত্রণ থেকে সরকারের নিয়ন্ত্রণে এনে মহকুমাকে কয়েকটি থানায় বিভক্ত করে পুলিশবাহিনীকে থানার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আনা হয়। গ্রামাঞ্চলে পুলিশ প্রশাসনকে সংগঠনের উদ্দেশ্যেই মূলত থানা সৃষ্টি করা হয়েছিল। প্রথম দিকে থানার কর্মকাণ্ড সীমিত থাকলেও পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ের জন্য এ কাঠামো তৈরি করা হয়।
২. পাকিস্তান আমল : পাকিস্তান আমলে ১৯৫৯ সালের মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ বলে থানা পর্যায়ে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য থানা কাউন্সিল গঠন করা হয়। থানা কাউন্সিলের প্রধান কাজ ছিল ইউনিয়ন কাউন্সিলসমূহের কার্যাবলি সমন্বয়সাধন করা। ১৯৬০ সালে প্রতিটি থানা পর্যায়ে একজন করে সার্কেল অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়।৩. বাংলাদেশ আমল : স্বাধীনতার পরে ১৯৭২ সালের ২৮ এপ্রিলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক ঘোষণায় থানা কাউন্সিলের নাম হয় থানা উন্নয়ন কমিটি। ১৯৭৬ সালের “স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অধ্যাদেশ” অনুযায়ী থানা উন্নয়ন কমিটির নাম পরিবর্তিত হয়ে হয় থানা পরিষদ। এই পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন মহকুমা প্রশাসক। ১৯৮৩ সালে থানার নাম পরিবর্তিত হয়ে হয় উপজেলা এবং থানা পরিষদ হয় উপজেলা পরিষদ। এই পরিষদের চেয়ারম্যান হন উপজেলা চেয়ারম্যান। তিনি নির্বাচিত জন প্রতিনিধি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (Upazila Nirbahi Officer-UNO) হলেন এই পরিষদের সচিব। তিনি উপজেলায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করতেন। ১৯৮৫ সালের মে মাসে সর্বপ্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বার উপজেলায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১৯৯২ সালে উপজেলা পরিষদ বাতিল আইন- প্রণীত হয়। ১৯৯৮ সালের ৩ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ আবার উপজেলা পরিষদ পুনর্বহাল করে। কিন্তু উপজেলা পরিষদের কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নি। ২০০৮ সালের ২৯ জুনে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার “স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) অধ্যাদেশ ২০০৮” প্রণয়ন করে এবং ২০০৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরে নির্বাচন কমিশন “স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা, ২০০৮” জারি করেন। ২০০৯ সালের ৮ এপ্রিলে সেই অধ্যাদেশের কিছু সংশোধন ও সংযোজন করে জাতীয় সংসদে “উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুন:প্রচলন ও সংশোধন) আইন, ২০০৯” নামে আইন প্রবর্তিত হয়। এই আইনে দেশে ৪৮২টি উপজেলার নাম উল্লেখ
করা হয়েছে। বর্তমানে এই উপজেলার সংখ্যা ৪৯০টি।
উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের নিম্নস্তরে উপজেলা পরিষদ একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গন। কিন্তু বর্তমানে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে উপজেলা পরিষদ যথার্থ কার্যকর হতে পারছে না। উপজেলা পরিষদের বিবর্তনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী দেখা যায় এই স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাকে প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে হয়েছে।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!